ভেজাল মুক্ত খাদ্য সামগ্রী এখন যেন সোনার হরিণ!

৮ অক্টোবর ২০১৮, ৩:১১:৩৮

খাদ্যে ভেজাল মেশানোর প্রবনতা ইদানিং খুব ভয়ংকর আকার ধারণ করেছে।ভেজাল মুক্ত খাদ্য সামগ্রী এখন যেন সোনার হরিণ। আমরা প্রতিনিয়ত যে সব খাদ্য গ্রহণ করে থাকি এর মধ্যে প্রায় ৪০-৪৫ ভাগ খাদ্যই নকল বা ভেজাল। এমন কোন খাদ্য বা পন্য নেই যা নকল বা ভেজাল থেকে মুক্ত। মাছ, মাংস, শাকসবজি, চাল, ডাল, তৈল ঘি এমন কি জীবনরক্ষাকারী ঔষধ সহ সব কিছুতেই ভেজাল। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী আছে যারা অধিক মুনাফা অর্জনের জন্য খাদ্য সামগ্রীর মধ্যে ভেজাল বা নকল করছে ।হাট বাজারে নজর করলে দেখা যায়, মাছ মাংস ফলফলাদি ও শাকসবজিতে মানবজীবন ধ্বংসকারী ফরমালিন জাতীয় বিষাক্ত দ্রব্যসহ, নানা রকম বিষাক্ত ঔষধ মিশিয়ে প্রতিনিয়ত বিক্রয় হচ্ছে। এই সব নিত্য প্রয়োজনীয় পন্য এসব ভেজাল খাদ্য খেয়ে মানুষ নানা রোগে ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়ে ক্রমাগত অকাল মুত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। ফলে দেশের জনস্বাস্থ্য চরম হুমকির সম্মুখীন। এই সব অনৈতিক ও অসাধু ব্যবসায়ীদের প্রতিরোধে যেন কেউ নেই।
জেলায় বা উপজেলায় সংশ্লিষ্ট কর্তাব্যক্তিগন কচিৎ দু- চারটা দোকানে ভেজাল বিরোধী অভিযান পরিচালনা করলেও পরবর্তীতে হাত গুটিয়ে দেন। কয়েক দিন পর যেই সেই হয়ে যায়। তবে আমাদের প্রত্যাশা মাছ মাংশ ও ফল ফলাদি সহ সব খাদ্য সামগ্রীর দোকানেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এমনি ভেজাল বিরোধী অভিযান জোরদার করলে এবং অপরাধীকে দৃষ্টান্ত মুলক শাস্তি প্রদান করবে। হলুদ মরিচ জিরার গুঁড়া ইত্যাদি মসলা নামে কি খাচ্ছি।? এক শ্রেণীর অসৎ ব্যবসায়ী অধিক লাভের জন্য এসব মসলার সঙ্গে কাপড়ের বিষাক্ত রং দুর্গন্ধ যুক্ত পটকা মরিচের গুঁড়া,ধানের তুষ ডাল ইত্যাদি মেশাচ্ছে। ফলে গ্রামাঞ্চলে মসলার নামে যা বিক্রি হচ্ছে তার প্রায় শত ভাগ ভেজাল। সাধারণ জনগণের প্রত্যাশা সরকার দেশবাসীকে ভেজাল নকল খাদ্যদ্রব্য ও ঔষধে তিলে তিলে মুত্যুর হাত থেকে বাঁচানোর কথা বিবেচনা করে। নকল ভেজাল ঔষধের আক্রমণ থেকে জনগনের উদ্ধার করবেন। এই প্রত্যাশা সকল শ্রেণী পেশার মানুষের।

এস এম জাকির হোসাইন।
লেখক ও সংবাদ কর্মী।

দৈনিক আলোর প্রতিদিন এর প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মতামত: