প্রচ্ছদ / জাতীয় / বিস্তারিত

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে যাদের নাম শোনা যাচ্ছে

২৭ নভেম্বর ২০১৯, ৬:২৮:৩৮

আগামী ২০ ও ২১ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এই সম্মেলনকে সামনে রেখে তৃণমূল পর্যায় থেকে জোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। চলছে মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটির শাখাগুলোর সম্মেলন। আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ক্যাসিনো কান্ডে জড়িত, চাঁদাবাজ-দুর্নীতিবাজ, হাইব্রিড ও সুবিধাবাধীরা নেতা হতে পারবেন না। অতীতের সকল কর্মকান্ড বিবেচনা করে ত্যাগীদের দিয়েই নতুন কমিটি করা হবে।

দলীয় সভাপতির এ ঘোষণার পরপরই নড়েচড়ে বসেছেন পদ প্রত্যাশীরা। ইতোমধ্যে নিজেদের অবস্থান জানান দিতে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় ও ধানমন্ডির পার্টি অফিসে সকাল থেকে রাত অবধি হাজার হাজার কর্মী নিয়ে সভা, সমাবেশ ও শোডাউনে ব্যস্ত থাকছেন নেতারা। ফলে সম্মেলনের তারিখ যতই গড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের পার্টি অফিস ততই সরগরম হয়ে উঠেছে।

আওয়ামী লীগের সম্মেলনের প্রধান চমক থাকে দলের সাধারণ সম্পাদক পদ নিয়ে। প্রতিটি সম্মেলনেই এটা হয়ে থাকে। এবারও এর ব্যতিক্রম নয়। দলের সব স্তরের নেতাকর্মীর দৃষ্টি এখন এই পদের দিকে। এ নিয়ে চলছে দলের ভেতরে-বাইরে নানামুখী
আলোচনা ও বিশ্লেষণ।

আওয়ামী লীগের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে, কাউন্সিলে সাধারণ সম্পাদক হতে চাচ্ছেন প্রায় অর্ধডজন নেতা। ইতোমধ্যে তারা
তাদের লবিং অব্যাহত রেখেছেন। সাধারণ সম্পাদক পদ পেতে ইতোমধ্যে আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারকদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছেন তারা। দলের ভেতরে এই নেতাদের সমর্থকেরা তাদের নিয়ে যেমন আলোচনা করছেন পাশাপাশি দলে বাইরেও রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে গুঞ্জন। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তারা হলেন, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, অবিভক্ত ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রম, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও শিক্ষামন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক ও আব্দুর রহমান প্রমুখ।

তবে দলের আরেকটি সূত্র বলছে, ওবায়দুল কাদেরই আরেক মেয়াদে সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করবেন। আওয়ামী লীগের নীতি-নির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক নেতা বলছেন, সাধারণ সম্পাদক পদটির বিষয়ে আগে থেকে কোনো ধারণা করা যায় না। দলের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ এই পদটির জন্য অনেকের আগ্রহ আছে এবং থাকে। এ পদের জন্য অনেক যোগ্য নেতা আওয়ামী লীগে আছেন। কিন্তু এ পদের দায়িত্ব কে পাবেন তা একান্তই দলের সভাপতি শেখ হাসিনা নির্ধারণ করবেন।

এ প্রসঙ্গে যোগাযোগ করা হলে মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বলেন, বিষয়টি ঠিক করবেন নেত্রী-ই। তিনি যাকে দায়িত্ব দেবেন তিনি-ই ওই পদে দায়িত্ব পালন করবেন। আমাকে তিনি যেখানেই দায়িত্ব দেন সেখানেই নিষ্ঠার সাথে অতীতের মতো দায়িত্ব পালন করবো। প্রসঙ্গত, গত ১৪ সেপ্টেম্বর আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক এ কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে।

দৈনিক আলোর প্রতিদিন এর প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মতামত: