এখন সন্ধ্যা হলেই সৌর আলোই পাল্টে গেছে রাজগঞ্জের গ্রামীণ জনপদ

২৬ নভেম্বর ২০১৯, ৮:২৩:৩২

উত্তম চক্রবর্তী,মণিরামপুর(যশোর)অফিস৷৷
সৌর বিদ্যুতের আলোয় আলোকিত যশোরের মণিরামপুর উপজেলার রাজগঞ্জ এলাকার গ্রামীণ জনপদ। বিদ্যুতের উপর চাপ কমাতে রাজগঞ্জ এলাকার বিভিন্ন হাট-বাজার ও গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার পাশের্ব স্থাপন করা হয়েছে এসব স্ট্রীট লাইট নামক সৌরবাতি। সন্ধ্যা নামার সাথে সাথে সংক্রিয়ভাবে জ্বলে উঠছে এসব বাতি। আবার সকাল হলে সংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যায়। এতে করে চাপ কমছে বিদ্যুতের।

লোডশেডিংয়ের ঝামেলা না থাকায় এ সড়কবাতি গুলো একটানা আলো দেয় সারা রাত। এ আলোর ফলে এলাকায় চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই আগের তুলনায় অনেক কমেছে। পাল্টে গেছে রাজগঞ্জ এলাকার গ্রামীণ জীবনমান। গ্রামের মানুষের জীবনেও শহরের পরিবেশের ছোয়া লেগেছে।

জানা যায়- ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার ও রক্ষাণাবেক্ষণ কর্মসূচি টিআর ও কাবিটার আওতায় রাজগঞ্জ এলাকার বিভিন্ন হাট-বাজার, নির্জন অন্ধকার সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সৌরবিদ্যুতের (স্ট্রীট লাইট) সড়ক বাতি স্থাপন করা হয়েছে। আর যে সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্ট্রীট লাইট নামক সৌরবাতি স্থাপন বাকী আছে, সেই স্থানে চলতি অর্থবছরে স্থাপন করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌছে দেয়ার অঙ্গীকার রাজগঞ্জ এলাকায় বাস্তব রূপ লাভ করছে। সরেজমিন এলাকা ঘুরে দেখা ঘেছে- রাজগঞ্জ এলাকা আরো আলোকিত করতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বসানো হয়েছে এসব সৌরবাতি। স্থানীয়রা জানান- আমাদের দেশে সাধারণত শহরের রাস্তায় বাতি দেয়া থাকে। এখন গ্রামের মানুষও সেই সুবিধা পাচ্ছে। এতে আমাদের খুব ভালো লাগছে। জ্বলছে গ্রামের অন্ধকার সড়কে বাতি। ফলে পাল্টে গেছে গ্রামের মানুষের জীবনমান। ভয়, আতংক না নিয়ে রাস্তায় চলাচল করা যায় এখন। যেনো শহরের ছোয়া লেগেছে গ্রামেও।

রাজগঞ্জের ঝাঁপা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সামছুল হক মন্টু বলেন- চুরি, ডাকাতি ছিনতাই রোধে রাজগঞ্জ এলাকার প্রত্যান্ত অঞ্চলে (যেখানে মানুষের চলাচল রয়েছে) বসানো হয়েছে সৌরবিদ্যুত চালিত সড়কবাতি। তিনি আরো বলেন- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানুষের ঘরে ঘরে শতভাগ বিদ্যুৎ পৌছে দেয়ার অঙ্গীকার করেছিলেন। সেটি বাস্তবায়নের জন্যই রাজগঞ্জ এলাকার গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সৌর বিদ্যুতের বাতি বসানো হয়েছে। গ্রামের মানুষ এতোদিন সড়ক বাতির সুবিধা থেকে বঞ্চিত ছিলো। এখন সন্ধ্যা হলেই গ্রাম গুলো ভূতুরে পরিবেশ তৈরি হতো। আতংক নিয়ে পরিবেশ নেই। সৌরবাতি বসানোর ফলে রাতের আঁধারে মানুষ নিরাপদে চলাচল করতে পারছে। গ্রামের মানুষের জীবনে শহরের পরিবেশের ছোয়া লেগেছে।

দৈনিক আলোর প্রতিদিন এর প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মতামত: