প্রচ্ছদ / জাতীয় / বিস্তারিত

এখলাছপুর উবি’র বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রে বালু ভরাটের কারনে সীমানা প্রাচীর হেলে ১০ লক্ষ টাকার ক্ষতি

১ ডিসেম্বর ২০১৯, ৮:৪৫:১৮

চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার এখলাছপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে নির্মাণাধীন বন্যা আশ্রয়কেন্দ্রে ড্রেজার দিয়ে বালু ভরাটের কারণে বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর হেলে প্রায় ১০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান ৭ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বলে জানান।
জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের বন্যা প্রবন ও নদী ভাঙন এলাকায় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র নির্মান (৩য় পর্যায়) প্রকল্পের আওতায় বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র ৩ কোটি ১৫ লক্ষ ৫৫ হাজার ৪৬২ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয় ধরা হলেও চুক্তি মূল্য ২ কোটি ৮৪ লক্ষ ২ হাজার টাকা ব্যয়ে জেভি আবদুল কাদির বেপারী এন্ড মেসার্স রিপন ট্রেডার্স এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। এ কাজের নিচ তলা কাজ করতে গিয়ে মেঘনা নদীর তীর থেকে ড্রেজার হতে পাইপের মাধ্যমে বালু ভরাট করছে। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বালু ভরাটের সময় হঠাৎ বিদ্যালয়ের পশ্চিম দিকে প্রায় ৪শ’ ফুট দৈর্ঘ্য গ্রেডভিম’সহ প্রায় ১২ ফুট উচ্চতার দেয়াল হেলে পড়ে। বালু মিশ্রিত পানির অতিরিক্ত চাপে এ দেয়ালটি হেলে পড়ে এবং ফাটল দেখা দেয়। বালু ও পানি দেয়ালের পশ্চিম দিকের ধান ক্ষেত প্রবেশ করে আধাপাকা ধান নষ্ট করে। ধান ক্ষেতে বালুর স্তুপ হয়ে পড়েছে।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ক্ষতি সঠিক কারণ চিহ্নিত করতে রেহান উদ্দিন নেতাকে প্রধান করে ৭ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে।
এলাকাবাসী জানান, নির্মাণাধীন ভবনে নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে। এতো বড় কাজ চললেও কোন তদারকি কর্মকর্তার দেখা মিলছে না। কোন প্রকার তদারকি ছাড়াই চলছে নির্মান কাজ।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান জানান, ড্রেজারের মাধ্যমে বিটিবালু দেয়ার কারণে দেয়াল হেলে পড়েছে এবং দেয়ালে বড় বড় ফাঁটল দেখা দিয়েছে। খবর পেয়ে বিদ্যালয়ে এসে সীমানা প্রাচীর হেলে পড়ার কারণে লাল নিশানা দিয়ে বিপদজনক বুঝিয়ে এ স্থানে কেউ যেন প্রবেশ করতে না পারে সেই ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এ ঘটনার বিষয়ে জরুরী সভা করে ক্ষতি সঠিক কারণ চিহ্নিত করতে ৭ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে।
জেভি আবদুল কাদির বেপারী এন্ড মেসার্স রিপন ট্রেডার্স এর প্রোপাইটর আবদুল কাদির বেপারী মুঠোফোনে বলেন, ড্রেজার দিয়ে বালু ভরাটের কারণেই দেয়ালটি হেলে পড়েছে। তবে বালু স্থানীয় লোকজন দিয়েছে।
নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে কাজ হচ্ছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি মিটিংয়ে আছেন, পড়ে কথা বলবো বলে মুঠোফোনের কল কেটে দেন।
প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোহাম্মদ আওরঙ্গজেবকে একাধিকবার মুঠোফোনে কল করেও পাওয়া যায়নি।

দৈনিক আলোর প্রতিদিন এর প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মতামত: