fbpx
প্রচ্ছদ / সারাবিশ্ব / বিস্তারিত

এবার নুসরাত বিতর্কে যা বললেন তসলিমা নাসরিন

১ জুলাই ২০১৯, ১১:৪০:৩৩

গত কয়েক মাস ধরে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন টালিউড অভিনেত্রী নুসরাত জাহান। তা অবশ্য সিনেমায় অভিনয় দিয়ে নয়, ভারতের রাজনীতির মাঠ সরগরম করে আলোচিত ছিলেন নুসরাত।

এর পর নির্বাচনে জয়ী হয়ে তৃণমূল সভানেত্রীকে বসিরহাট আসনটি উপহার দেন নুসরাত।

তবে এসব ছাপিয়ে এখন বেশ সমালোচিত এই ভারতীয় সংসদ সদস্য। কারণ এখন তার নাম নুসরাত জাহান রুহি জৈন, যা মোটেই মানতে পারেনি দেশটির দেওবন্দের ইসলামী সংগঠন ‘দারুল উলুম’।

বিশেষ করে মুসলিম নারী হয়ে সিঁদুর দিয়ে ও মঙ্গলসূত্র পরে সংসদে অংশগ্রহণের পর তীব্র সমালোচনায় পড়েন নুসরাত।

বিষয়টি ইসলামে একেবারেই অগ্রহণযোগ্য জানিয়ে বক্তব্য দেন দেওবন্দের ‘দারুল উলুম’-এর ইমাম মুফতি আসাদ ওয়াসমি।

তার সেই বক্তব্যের সমালোচনায় মেতে ওঠেন দেশটির হিন্দু কট্টরবাদীসহ বিজেপি নেতৃবৃন্দের কেউ কেউ।

এবার নুসরাতের সমর্থনে কথা বললেন ভারতে নির্বাসিত বাংলাদেশি লেখিকা তসলিমা নাসরিন।

গতকাল নিজের টুইটার হ্যান্ডেলে তসলিমা নাসরিন লেখেন- নুসরাত জাহান, একজন মুসলিম, তিনি বিয়ে করেছেন অমুসলিম নিখিল জৈনকে। হিন্দুপ্রথা মেনে সাতপাকে বাঁধা পড়েছেন। দুজনের কেউই তো ধর্মান্তরিত হননি! কিন্তু দেওবন্দের মৌলবাদীরা এতে বেজায় চটলেন। তারা চান অমুসলিমরা বিয়ের আগে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়ে যাক। চুলোয় যাক। দুজন ভিনধর্মে বিশ্বাসী মানুষ বিয়ে করলেন। বেশ করেছেন।

প্রসঙ্গত গত ২২ জুন তুরস্কের বোদরুম শহরে জৈন ধর্মের অনুসারী নিখিল জৈনকে বিয়ে করেন নুসরাত। নিখিল জৈনকে বিয়ে করার পর নুসরাতের নতুন নাম নুসরাত জাহান রুহি জৈন। হিন্দু নারীর মতোই তার সিঁথি রাঙিয়েছেন সিঁদুরে। হাতে চূড়া, মেহেদি, গলায় মঙ্গলসূত্র, এভাবেই নববধূর বেশে গত ২৫ জুন সংসদে উপস্থিত হয়েছিলেন বসিরহাট কেন্দ্রের নবনির্বাচিত এই তৃণমূল সাংসদ।

এর পরই নুসরাতের সমালোচনা করে দেওবন্দ ইমাম মুফতি আসাদ ওয়াসমি বলেন, ‘খোঁজ নিয়ে জেনেছি- তিনি (নুসরাত) জৈন সম্প্রদায়ের একজনকে বিয়ে করেছেন। ইসলাম বলে, একজন মুসলমান শুধু মুসলমানকেই বিয়ে করতে পারেন। নুসরাতের এমন কাজ ইসলামে কখনই গ্রহণযোগ্য নয়।

তিনি আরও বলেন, ‘নুসরাত একজন অভিনেত্রী। আর বরাবরই দেখে এসেছি- অভিনেত্রীরা ধর্মের অনুশাসন মানেন না, যা ইচ্ছা তা-ই করে বেড়ান। সেটিই তিনি সংসদে করে দেখালেন। মুসলিম নারী হয়ে তিনি সংসদে সিঁদুর এবং মঙ্গলসূত্র পরে এসেছিলেন।’

দৈনিক আলোর প্রতিদিন এর প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মতামত: