করোনা লাইভ
আজকে আক্রান্ত : ২,৯৯৫ ◈ আজকে মৃত্যু : ৪২ ◈ মোট সুস্থ্য : ১৫৩,০৮৯
প্রচ্ছদ / সারাদেশ / বিস্তারিত

মো. দ্বীন ইসলাম

চাঁদপুর প্রতিনিধি

সংগীত শিল্পী গাজী মৈত্রী ইসলাম এর একান্ত সাক্ষাৎকার

গান আমার নিত্যদিনের সঙ্গী – মৈত্রী

২৬ জুলাই ২০২০, ১:৫৫:১৬

দেশের সঙ্গীতাঙ্গনে এক উজ্জ্বল নাম গাজী মৈত্রী ইসলাম। সব ধরনের গান গাওয়াতে তাঁর সমান দক্ষতা। তিনি এমনই একজন সৃষ্টিশীল মানুষ পেশা কখনই তাঁর সঙ্গীত সাধনার অন্তরায় হয়ে দাঁড়াতে পারেনি।
‘রংধনু’র রঙে’ শিরোনামে অ্যালবামটি শ্রোতামহলে দারুণ প্রশংসা কুড়িয়েছে। সঙ্গীত সাধনা নিয়েই ব্যস্ত রয়েছেন তিনি। সম্প্রতি এই শিল্পীর সাক্ষাৎকার নিয়েছেন দৈনিক আলোর প্রতিদিন।

দৈনিক আলোর প্রতিদিন : আপনার বর্তমান ব্যস্ততার খবর জানতে চাই?

মৈত্রী : সামনে আমার একক দুটো মৌলিক গান আসছে। কাজী দেলোয়ার হোসেন এর কথা ও সুরে।

দৈনিক আলোর প্রতিদিন : আপনার সবচেয়ে প্রিয় ভলো লাগার গান কোনটি?

মৈত্রী : অনেক ভালো লাগার গানই আছে। তার মধ্যে একটা বলা মুশকিল। তবে ইদানিং পছন্দের মধ্যে খুব শুনছি সাহানা বাজপেয়ী’র ‘আমার হাত বান্ধিবি পা বান্ধিবি’।

দৈনিক আলোর প্রতিদিন : এ পর্যন্ত আপনার কি কি অ্যালবাম প্রকাশ হয়েছে?

মৈত্রী : ‘রংধনু’র রঙে’ নামে একটি মিক্সড অ্যালবাম কাজ করেছি। তাছাড়া কভার গান করছি, কিছু নাটকের গানে ভয়েজ দিয়েছি। আর মৌলিক গানের কাজ চলছে।

দৈনিক আলোর প্রতিদিন: বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী আপনি; গান ছাড়া আর কি কি করেন যদি একটু বলেন।

মৈত্রী : গান ছাড়াও আমি থিয়েটারে কাজ করছি ২০১৫ থেকে। বর্তমানে ‘বঙ্গরঙ্গ নাট্যদল’ এ আছি। তাছাড়া শখে ছবি আঁকি, আবৃত্তি করি।

দৈনিক আলোর প্রতিদিন : বর্তমান প্রজন্মের শিল্পীদের নিয়ে আপনার মূল্যায়ন জানতে চাই?

মৈত্রী: বর্তমানে অনেকে অনেক ভাল কাজ করছে যা অবশ্যই প্রশংসা পাওয়ার মত। নতুনদের মধ্যে অনেকের কাজই ভাল লাগে।

দৈনিক আলোর প্রতিদিন: সঙ্গীত প্রতিষ্ঠানগুলো শুদ্ধসঙ্গীতের চর্চায় কতটা ভূমিকা রাখছে?

মৈত্রী : সঙ্গীতটা আসলে গুরুমুখী বিদ্যা তো। গুরুর সাহচর্য এখানে অত্যন্ত জরুরী। তাছাড়া কিছু কিছু সঙ্গীত প্রতিষ্ঠান শুদ্ধ সঙ্গীত শিক্ষার লক্ষ্যে কাজ করছে।

দৈনিক আলোর প্রতিদিন: এখনো তো গান নিয়েই ব্যস্ত আছেন…

মৈত্রী : জ্বি গানের পাশাপাশি, স্নাতকে (সম্মান) হিসাববিজ্ঞান নিয়ে পড়ছি।

দৈনিক আলোর প্রতিদিন : গানের সঙ্গে ভিডিও নির্মাণ কতটা জরুরি বলে মনে করেন?

মৈত্রী : এখন গানটা আসলে শোনার চাইতে অনেক বেশি দেখার বিষয় হয়ে গেছে। এইজন্য এখনকার পরিস্থিতিতে গানের সঙ্গে ভিডিও নির্মাণটা জরুরি।

দৈনিক আলোর প্রতিদিন: আপনার অনেক গানই আমাদের প্রিয়। আপনার গাওয়া প্রিয় গান কোনটি?

মৈত্রী : আমার গাওয়া আমার প্রিয় গান হচ্ছে ‘রংধনুর সাত রঙে’

দৈনিক আলোর প্রতিদিন : বর্তমানে প্রচুর তরুণরা গান করছে। তারা ভাঙাগড়াও করছে। ফিউশন করছে। তরুণদের এই ভাঙা গড়াকে আপনি কিভাবে দেখেন?

মৈত্রী : আমার ব্যক্তিগতভাবে ফিউশন জিনিসটা পছন্দের। তাছাড়া ফিউশনের মাধ্যমে গানে একটা নতুনত্ব সৃষ্টি হয়।

দৈনিক আলোর প্রতিদিন : নতুন সৃষ্টির প্রতি এক পাগলপনা, পরিবারের কাছ থেকে কতটা সাপোর্ট পান?

মৈত্রী : আসলে এই পর্যন্ত আমার যতদূর আসা, যতটুকু সাফল্য সব কিছুর পেছনেই আমার পরিবারের কৃতিত্ব অনেক। বাবা যখন বেঁচে ছিলেন অনেক সাপোর্ট দিতেন, আর এখন আম্মু, ছোটবোন ঐশ্বর্য আমাকে অনেক সাপোর্ট দেয়। একদম এ টু জেড।

দৈনিক আলোর প্রতিদিন : কি ধরনের গান আপনি গাইতে ভালোবাসেন?

মৈত্রী : আমি গান গাওয়ার পাশাপাশি গান যেহেতু শেখাইও এইজন্য মোটামুটি সব ধরনের গানই আমার করতে হয়। তবে আমার গানের জনার হচ্ছে আধুনিক, সেমি ক্লাসিকাল।

দৈনিক আলোর প্রতিদিন : আপনার সঙ্গীত সাধনার গুরু কে?

মৈত্রী : আমার সঙ্গীত সাধনার গুরু আমার মা। এরপর বাফা থেকে ৪ বছরের সার্টিফিকেট কোর্স শেষ করেছি।

দৈনিক আলোর প্রতিদিন : আচ্ছা ধরুন আপনাকে বলা হলো হয় গান, নতুবা ব্যাঙ্কের চাকরি, যে কোন একটা কে রাখতে হবে, কোনটা বাছবেন?

মৈত্রী : অবশ্যই গান।

দৈনিক আলোর প্রতিদিন : দেশ, দেশের বাইরে কোথায় কোথায় প্রোগ্রাম করেছেন?

মৈত্রী : দেশে তো ঢাকাসহ মোটামুটি অনেক জায়গায় প্রোগ্রাম করা হয়েছে। গত এপ্রিলে ইন্ডিয়ায় অনুষ্ঠানের কথা ছিল। কিন্ত লকডাউনের কারণে স্থগিত হয়েছে।

দৈনিক আলোর প্রতিদিন : বর্তমান প্রজন্মের এমন কয়েকজন শিল্পীর নাম বলুন যাদের গান আপনার ভালো লাগে?

মৈত্রী : বর্তমান প্রজন্মের অনেকের গানই ভালো লাগে। নির্দিষ্টভাবে ২/১ জনের নাম বলাটা মুশকিল।

দৈনিক আলোর প্রতিদিন এর পক্ষ থেকে আপনাকে ধন্যবাদ

মৈত্রী : ‘দৈনিক আলোর প্রতিদিন’ কেও আমার পক্ষ থেকে অসংখ্য ধন্যবাদ।

দৈনিক আলোর প্রতিদিন এর প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মতামত: