প্রচ্ছদ / সারাদেশ / বিস্তারিত

ছাতকে ক্যান্সার আক্রাকে মাকে বাঁচাতে মেয়ের আকুতি

২১ নভেম্বর ২০১৯, ৮:০৪:৫২

ছাতক প্রতিনিধিঃ
দুরারোগ্য ব্যাধি ক্যান্সার আক্রান্ত মা হাসিরুন নেছা (৫০) কে বাঁচাতে মানবিক সহযোগিতা চেয়েছেন মোছা. নাছিমা আক্তার জ্যোতি। তিনি ছাতক উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের বাহাদুরপুর গ্রামের মৃত শফিক মিয়ার কন্যা। দীর্ঘ দিন ধরে ক্যান্সারে আক্রান্ত মায়ের চিকিৎসা করিয়ে এখন তিনি প্রায় নিঃস্ব। ব্যয় বহুল এই চিকিৎসার খরচ বহন করতে না পেরে মৃত পথযাত্রী মাকে নিয়ে এখন বাড়িতেই মানবেতর জীবন যাপন করছেন। দুই বোন ও এক ছোট ভাইয়ের পরিবারের একমাত্র অভিভাবক মায়ের চিকিৎসার জন্য প্রধানমন্ত্রীসহ সমাজের বিত্তবানদের কাছে আর্থিক সহযোগিতা চেয়েছেন জ্যোতি।

জ্যোতি জানান, প্রায় ১৬ বছর পূর্বে কান্সার আক্রান্ত হয়ে মারা যান তার পিতা শফিক মিয়া। পিতার মৃত্যুর পর জ্যোতি, তার বোন ও একমাত্র ছোট ভাইকে নিয়ে ইসলামপুর গ্রামে মামার বাড়িতে বসবাস করে আসছেন মা হাসিরুন নেছা। পিতার অবর্তমানে তিনিই তাদের একমাত্র অভিভাবক। তার মা হাসিরুন নেছাও এক বছর হলো দুরারোগ্য ব্যাধি ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছেন। এরপর স্থানীয় ডাক্তারদের থেকে শুরু কয়েক দফায় সিলেটের বিভিন্ন হাসপাতালে মাকে চিকিৎসা করান তিনি। এতে তার মায়ের কোনো উন্নতি হয়নি। বর্তমানে তার মায়ের শারিরিক অবস্থা খুবই শঙ্কটাপন্ন। সম্প্রতি তার মাকে আবারও সিলেট এমএজি ওসমানি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে দ্রুত অপারেশন করানোর কথা জানান। তাকে দ্রুত অপারেশন করানো না গেলে তিনি মারা যেতে পারেন বলেও জানান চিকিৎসকরা।

যার ব্যয়ভার কমপক্ষে দুই লক্ষ টাকা। সহায়-সম্বলহীন জ্যোতি অপারেশনের জন্য টাকার ব্যবস্থা করতে পারেননি বলে মাকে নিয়ে এখন বাড়িতেই অবস্থান করছেন। জ্যোতি বলেন, ‘মায়ের চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করতে গিয়ে আমরা এখন সহায়-সম্বল হারিয়ে প্রায় নিঃস্ব হয়ে গেছি। দু’বেলা এখন আমাদের মুখে খাবারও জোটছে না। কিন্তু চোখের সামনে বিনা চিকিৎসায় মাকে মরতে ওতো দেখতে পারি না।’ এর জন্য মৃত্যু পথযাত্রী মায়ের চিকিৎসার জন্য প্রধানমন্ত্রী ও সমাজের বিত্তবানদের কাছে মানবিক সাহায্য প্রার্থনা করেছেন জ্যোতি। সহযোগিতা ও যোগাযোগের জন্য মোবাইল নাম্বার- (বিকাশ) ০১৭২৩-২৩৭৬৫৮, অথবা নাছিমা আক্তার জ্যোতি, কৃষি ব্যাংক, ছাতক শাখা, হিসাব নম্বর- ০৩১০১৪৪৮৮১।

দৈনিক আলোর প্রতিদিন এর প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মতামত: