করোনা লাইভ
আজকে আক্রান্ত : ২,৬৯৫ ◈ আজকে মৃত্যু : ৩৭ ◈ মোট সুস্থ্য : ১১,৫৯০

ছাতকে বিনা ধান-১১ প্রদর্শনী প্লট কর্তনের উপর মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত

১৬ নভেম্বর ২০১৮, ৮:৩৭:৩৬

ছাতক প্রতিনিধিঃ

ছাতকে জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডের অর্থায়নে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) কর্তৃক উদ্ভাবিত বন্যাসহিষ্ণু ও স্বল্পমেয়াদী বিনা ধান-১১ এর প্রদর্শনী প্লট কর্তনের উপর কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি উপজেলার কালারুকা ইউনিয়নের চানপুর গ্রামের কৃষক ময়না মিয়ার জমির একটি প্লটে জলমগ্ন সহিষ্ণু এ ধানের নমুনা শস্য কর্তন ও স্থানীয় কৃষকদের এই ধানের উপকারিতা সম্পর্কে আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সুনামগঞ্জের উপ পরিচালক বশির আহমেদ সরকারের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন, ছাতক উপজেলা চেয়ারম্যান অলিউর রহমান চৌধুরী বকুল, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সিলেট অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক আলতাবুর রহমান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কেএম বদরুল হক, বিনার বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম, উপজেলার উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা শামীম চৌধুরী প্রমুখ।
বিনা ধান-১১ প্রর্দশনী প্লট নমুনা কর্তন শেষে এর ফলন সম্পর্কে কৃষকদের উদ্দেশ্যে কৃষিবিদরা বলেন, অত্র এলাকায় বন্যা, ফলন ও পোকা-মাকড় এর আক্রমণ এর দিক থেকে বন্যাসহিষ্ণু বিনা ধান-১১ উপযোগী। এছাড়া বন্যাসহিষ্ণু বিনা ধান-১১ চাল লম্বা ও মাঝারী, এর ফলন চেক জাত ব্রি ধান ৫১ থেকে হেক্টর প্রতি ১ টন বেশি। বীজতলা কিংবা চারা রোপনের ২-৩ দিন, ২০-২৫ দিন পর্যত পানিতে ডুবে গেলে চারা গাছের উপরের অংশ পচে গেলেও মূলগাছ পুনরায় বৃদ্ধি পেয়ে স্বাভাবিক ফলন দিয়ে থাকে। উপযুক্ত সময়ে বীজ বপন করলে জীবনকাল জলমগ্ন (২০-২৫ দিন পর্যন্ত) অবস্থায় ১৩০-১৩৫ দিন, যা ১১৫- ১২০ দিন জলমগ্ন অবস্থায় ৪-৫টন প্রতি হেক্টরে জলমগ্ন না হলে ৫-৫.৫টন পর্যন্ত ফলন পাওয়া যায়। উপস্থিত কৃষকরা এর উপকারিতা উপলব্ধি করে কৃষি বিভাগের সহযোগিতা পেলে আগামীতে এ জাতের ধানের আবাদ বৃদ্ধি করবেন বলে জানান।

দৈনিক আলোর প্রতিদিন এর প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মতামত: