fbpx

ডোমারে আলোচিত চার বছর পর লাশ দাফন ।

৫ মে ২০১৮, ২:৫১:৪০

ডোমারে আলোচিত চার বছর পর লাশ দাফন ।


নিজস্ব প্রতিনিধি ,ডোমার নীলফামারী ।

হোসনে আরা বেগম লাইজু মারা যায় ২০১৪ সালের ১০ ই মার্চ ।এতদিন লাশ সংরক্ষিত থাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপালের হিমঘরে ।শেষ কৃত্যৃ কোন ধর্ম মতে হবে তা নিয়ে এতদিন ছিল সবার মনে জল্পনা কল্পনা ।অবশেষে হাইকোর্টের নিদের্শ শেষে শুক্রবার লাইজু লাশ তাঁর শ্বশুরের কাছে ইসলামি রীতি অনুযায়ী দাফন করার জন্য হস্তান্তর করে গত ১২ এপ্রিল হাইকোটের বিচার পতি মোঃ মিফতাহ উদ্দিন চৌধুরীর একক বেঞ্চ এ নিদের্শ দেন ।রংপুর হাসপাতালের মর্গ থেকে আজ শুক্রবার লাশ হস্তান্তরের পর বিকালে নীলফামারী জেলার ডোমার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার উপস্থিতিতে স্বামীর কবরের পাশে লাইজুর লাশ দাফন করা হয় ।

হোসনে আরা বেগম লাইজু আগের নাম নীপা রানী রায় ।পুলিশ সূত্রে জানা যায় ,নীপা নীলফামারীর ডোমার উপজেলার খামার বামুনিয়া গ্রামের স্কুল শিক্ষক অক্ষয় কুমার রায়ের মেয়ে ।২০১৩ সালের ২৫ অক্টোবর একই উপজেলার পূর্ব বোড়াগাড়ী গ্রামের জহুরুল ইসলামের ছেলে হুমায়ুন ফরিদের সাথে প্রেমের সম্পর্কের জেরে পালিয়ে বিয়ে করে নীপা ।এজন্য ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত হয় এবং হোসনে আরা বেগম নাম ধারণ করেন।২০১৪সালের ১৫ই জানুয়ারী হুমায়ুন ফরিদ বিষপান করে আত্মহত্যা করেন ।একই বছর ১০ই মার্চ কীটনাশক পানট মৃত্যু হয় লাইজুর আজ(০৪মে)বেলা সাড়ে ১১ টায় হাসপাতালের পরিচালক অজয় কুমার রায় শ্বশুর জহুরুল ইসলামের কাছে লাইজুর লাশ হস্তান্তর করে । এসময় ডোমার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে ফাতেমা ,ডোমার থানার পরিদশর্ক (তদন্ত) ইব্রাহিম খলিল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন ।

জহুরুল ইসলাম তাঁর পুত্রবধুর মরদেহ নেওয়ার সময় সাংবাদিকদের বলেন , পারিবারিক কবরস্থানে ছেলের কবরের পাশে লাইজুকে দাফন করা হবে ।তবে নীপার বাবা অক্ষয় কুমার রায় বা তাঁর পরিবারের কেউ দেখতে আসেনি ।

দৈনিক আলোর প্রতিদিন এর প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মতামত: