করোনা লাইভ
আজকে আক্রান্ত : ০ ◈ আজকে মৃত্যু : ০ ◈ মোট সুস্থ্য : ১৫৩,০৮৯
প্রচ্ছদ / সারাদেশ / বিস্তারিত

ডোমারে বৃদ্ধার ঘর নির্মান ও ২শত পঞ্চাশটি দুঃস্থ পরিবারে ঈদের খাদ্য সামগ্রী দিলো সেনা বাহিনী

২২ মে ২০২০, ৭:১৫:১৫

পঞ্চানন রায়,ডোমার(নীলফামারী) প্রতিনিধি: ঘুর্ণিঝড় আম্পানের প্রভাবে নীলফামারীর ডোমার উপজেলায় নিঃসন্তান অসহায় বৃদ্ধার ভেঙ্গেপড়া ঘর বৃষ্টিতে ভিজে নতুন করে নির্মাণ করে দিলো বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। শুক্রবার দুপুর হতে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত উপজেলার কেতকীবাড়ী ইউনিয়নের ভারতীয় সীমান্ত ঘেষা এলাকায় বৃদ্ধা মরিয়ম বেওয়ার একটি ঘর নির্মান করে দেয় খোলাহাটি ক্যান্টনমেন্টের সেনাবাহিনী সদস্যরা।
মরিয়ম বেওয়া (৭০) আ লিক ভাষায় বলেন, “ঝড়োত মোর (আমার) ঘর ভাঙ্গি মাটিত পড়ি যায়। মোরতো স্বামী-সন্তান কাহো (কেউ) নাই। ঘর ঠিক করির বাদে চেয়ারম্যানের কাছোত (কাছে) অনেক কাঁন্দাকাটি করিছু। আর্মির ছাওয়ালা (ছেলেরা) মোর ঘর নয়া (নতুন) বানায় দিছে। ওমার (ওদের) আল্লাহ ভালো করিবে।”

কেতকীবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জহুরুল হক দিপু জানান, ঘুর্ণিঝড়ে বৃদ্ধা মরিয়ম বেওয়ার ঘর ভেঙ্গে যাওয়ার খবর আমি সেনাবাহিনীকে জানাই সকালে। তারা দুপুরে এসে নতুন টিন, বাঁশ কিনে একটি ঘর তৈরী করে দেয়। তিনি জানান, মরিয়ম বেওয়ার ১০ বছর আগে স্বামী মারা যাওয়ার পর হতে অন্যের জমিতে একটি ঘরে একা বসবাস করে আসছে। তার কোন ছেলে মেয়ে নাই।
খোলাহাটি ক্যান্টমেন্টের ক্যাপ্টেন তানজিম রহমান জানান, দেশের সকল দূর্যোগ মোকাবেলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কাজ করে। করোনা মোকাবেলায় আমরা সামাজিক দুরত্ব, সচেতনতাসহ অসহায় দুস্থদের মাঝে খাদ্য ও চিকিৎসা দিয়ে আসছি। তিনি জানান, কোথায় কি সমস্যা হচ্ছে তা জানতে, জনপ্রতিনিধিদের সাথে সবসময় যোগাযোগ রাখছি। আজ সকালে কেতকীবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান জহুরুল হক দিপু আমাকে ফোন করে জানায়, ঘুর্ণিঝড়ে তার এলাকার এক বৃদ্ধার ঘরে ভেঙ্গে গেছে। সকাল থেকে উপজেলার আড়াই শত অসহায় গরিব মানুষের মাঝে আমরা খাদ্য সহায়তা দেই। আর দুপুরে গিয়ে সেনাবাহিনীর পক্ষে নতুন টিন, বাঁশ কিনে একটি নতুন ঘর তৈরী করে দেই। তিনি বলেন, যেকোন সংকটে আমরা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে প্রস্তুত আছে।

দৈনিক আলোর প্রতিদিন এর প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মতামত: