fbpx
প্রচ্ছদ / রাজনীতি / বিস্তারিত

রুবেল আকন্দ

ত্রিশাল প্রতিনিধি ( ময়মনসিংহ )

ত্রিশালের জন্য কিছু করতে চান জননেতা ইকবাল হোসেন

২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ২:৩২:০০

রুবেল আকন্দ ত্রিশাল প্রতিনিধিঃ

চরপাড়া গ্রামের আব্দুল হায় বলেন ত্রিশাল উপজেলা অনেক নেতাকর্মী দেখেছি কিন্তু ত্রিশালে জননেতা ইকবাল ভাইয়ের মত কোন ভালো মানুষ আমার জীবনে দেখেনি। হাপানিয়া গয়সাপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল আউয়াল মাষ্টার, আব্দুল হায়রে কথার সাথে একমত হয়ে বলেন আমি কখনো ইকবাল হোসেন কে দেখিনি কিন্তু তার গুনের কথা অনেক শুনেছি। তিনি বলেন সরকারের সহযোগিতা তাহলে আমার মনে হয় ত্রিশালবাসীর জন্য অনেক কিছু করে দেখাতে পারবে জননেতা ইকবাল হোসেন।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যার পর তার পিতাকে কারাগারে বন্ধী করে নির্যাতন করা হয়। এ বি এম আনিসুজ্জামান আনিস নজরুল একাডেমীতে ৭ম শ্রেনীতে লেখাপড়া অবস্থায় ছাত্রলীগে যোদান করেন।

পরে ছাত্রলীগের সাধারন সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৩ সনে তিনি নাসিরাবাদ কলেজে ভর্তি হয়ে কলেজ ছাত্রলীগের রাজনীতিতে অংশ গ্রহন করেন। পরে তিনি নাসিরাবাদ কলেজ ছাত্রলীগের সহ সভাপতি ছিলেন।

পরে তিনি ত্রিশাল উপজেলা যুবলীগের সহ সভাপতি ছিলেন। ১৯৯০ সনে তিনি শ্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে উল্লেখযোগ্য ভুমিকা পালন করেন। ১৯৯৪ সনে তিনি ত্রিশাল উপজেলঅ যুবলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন।

গত ২০ বছর তিনি সফলতার সাথে ত্রিশাল যুবলীগের দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে এবিএম আনিসুজ্জামান আনিস স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে বিপুল ভোটের ব্যবধানে ত্রিশাল পৌরসভার মেয়র হিসাবে বিজয়ী হন।

দলের স্থানীয় নেতারা আনিসুজ্জামানকে নানামুখী প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলেও তিনি নির্বাচন করার সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন। আনিসুজ্জামান আনিস নেতা কর্মীদের নিয়ে পৌর এলাকায় নিয়মিত গণসংযোগ করেন।

শক্তিশালী প্রার্থী আনিসুজ্জামান অনড় অবস্থায় থাকায় বিপাকে পড়ে একটি পক্ষ । তাকে এক পর্যায়ে ঘরে অবরোদ্ধ করে রাখে বলে দাবী করেন তিনি। মেয়র এবিএম আনিসুজ্জামান আনিস জানান, ত্রিশাল আসনে তিনি একজন শক্তিশালী প্রার্থী, কারন তিনি গত ১০ বছর পৌর এলাকায় রাস্তাঘাটসহ নানাবিধ উন্নয়ন কাজ করেছেন।

তিনি ত্রিশাল পৌরসভার একজন সফল মেয়র। ভোটারগন তার উন্নয়ন দেখে তাকে অবশ্যই আগামী নির্বাচনে ভোট দিবেন। মেয়র এ বি এম আনিসুজ্জামান বলেন, ২ বার মেয়র হিসাবে গত ১০ বছর পৌরসভার উন্নয়নে নিবেদিত হিসাবে কাজ করেছি। আশা করি আগামী সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের দলীয় নেত্রী আমাকেই নৌকা প্রতিকের দলীয় মনোনয়ন দেবেন।

তিনি বলেন, গত নির্বাচনে ঐ পক্ষটি আমাকে বাড়ীতে অবরোদ্ধ করেই খান্ত হয়নি আমি নির্বাচিত হওয়ার পরদিন অঅমার নামে একটি হত্যা মামলঅ দায়ের করে। কিন্তু মহান আল্লাহতালার অশেষ রহমতে মামলার বাদী আমার প্রতি সহানুভব দেখিয়ে মামলায় নারাজি দিলে ১ মাসের মধ্যে মামলা শেষ হয়ে যায়। তাদের গভীর ষড়যন্ত্র দুলিস্বাত হয়ে যায়।

তিনি বলেন, বর্তমান মেয়র হওয়ার পর ত্রিশাল পৌরসভায় ২০ কোটি টাকার কাজ করেছি। সামনে আরো ২৫কোটি টাকার কাজ করতে পারবো বলে আশা রাখি। তিনি বলেন, সারা দেশের ৩১০ টি পৌরসভার মধ্যে ১টি পৌরসভাও চ্যালেন্স করতে পারবেনা যে তাদের পৌরসভা এলাকায় পানি জমেনি।

কিন্ত মহান আল্লাহতালার অশেষ রহমতে আমি হলফ করে বলতে পারি ত্রিশাল পৌরসভা এলাকায় সামান্য সময়ের জন্যও কোন পানি জমেনি। তিনি বলেন, ত্রিশালের মানুষ ত্রিশালের উন্নয়ন দেখে মুগ্ধ। তিনি বলেন, গত ২ বার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ত্রিশালের স্থানীয় কোন ব্যাক্তি ত্রিশাল আমনের সংসদ সদস্য হতে পারেনি এটি ত্রিশালবাসীর কাছে একটি বড় যন্ত্রনাদায়ক হয়ে উঠেছে।

সব কিছুর উর্ধ্বে ত্রিশালবাসী ত্রিশালের একজন নেতাকে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য হিসাবে দেখতে চায়। ত্রিশালের একজন সফল রাজনৈতিক নেতা হিসাবে আমি অবশ্বই ত্রিশালবাসীর এই প্রত্যাশা পুরন করতে চাই।

রাজনৈতিক, সামাজিক, পারিবারিক, গনযোগাযোগ, কর্মীবান্ধব সকল দিক দিয়ে আমি প্রার্থী হওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছি। তিনি বলেন, জনগনের আগ্রহের কারনেই আমাকে আগামী নির্বাচনে প্রার্থী হতে হচ্ছে। তিনি বলেন, ত্রিশালের রাজনীতিতে আমার জন্য কোন গ্র“পিং লবিং নেই। আমি সকল ইউনিয়নে গিয়ে সকলকে নিয়ে দলীয়, সামাজিক, পারিবারিক আচার অনুষ্ঠান পালন করি।

সকল পর্যায়ের নেতারা আমার সাথ

দৈনিক আলোর প্রতিদিন এর প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মতামত: