fbpx
প্রচ্ছদ / সারাদেশ / বিস্তারিত

পুঠিয়া নদীর সীমানা নিয়ে ছাতক ও দক্ষিণ সুনামগঞ্জের দু’গ্রামবাসীর সৃষ্ট দীর্ঘ দিনের বিরোধ সালিশে নিস্পত্তি

২২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ৬:১৭:৩৪

মীর মোঃ আমান মিয়া লুমান, ছাতক(সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ
ছাতক ও দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার পুঠিয়া নদীর সীমানা নিয়ে সৃষ্ট দীর্ঘ দিনের বিরোধ অবশেষে নিস্পত্তি ঘটেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে ছাতক উপজেলার বড়কাপন আটগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ে এক সালিশ-বৈঠকের মাধ্যমে দীর্ঘ দিনের চলমান বিরোধর অবসান ঘটে। বিরোধ নিস্পত্তির উদ্যোক্তাা ছাতক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, সিলেট বিভাগের শ্রেষ্ঠ উপজেলা চেয়ারম্যান অলিউর রহমান চৌধুরী বকুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সালিশ-বৈঠকে অন্যান্যদের মধ্যে দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান হাজী আবুল কালাম, ছাতকের জাউয়া ইউপি চেয়ারম্যান মুরাদ হোসেন, দক্ষিন সুনামগঞ্জের পূর্ব পাগলা ইউপি আক্তার হোসেন, পশ্চিম পাগলা ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান জগলু মিয়া, সাবেক চেয়ারম্যান হাজী নুরুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা কবির উদ্দিন লালা, আটগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি শাহীন আল মামুন, শিক্ষানুরাগী আব্দুস সত্তার, এনামুল হক, লুৎফুর রহমান, আপ্তাব মিয়া, আরজক আলী মেম্বার, আওয়ামীলীগ নেতা আব্দুল খালিকসহ উভয় উপজেলার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। বড়কাপন আটগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ের অনুদানকে অগ্রগন্য করে প্রতিবেশীদের স্বার্থ সংরক্ষণে পুঠিয়া নদী ব্যবস্থাপনার বিষয়টি সালিশ-বৈঠকে নিষ্পত্তি হয়। উলেখ্য পুটিয়া নদীর সীমানা নিয়ে ছাতক উপজেলার বড়কাপন-আটগ্রাম ও দক্ষিণ সুনামগঞ্জের বেতকুনা গ্রামবাসীর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। বিরোধ নিস্পত্তিতে একাধিকবার সালিশ-বৈঠকের আয়োজন করা হলেও একটি পক্ষে অসহযোগিতার কারনে বিষয়টি ঝুলন্ত অবস্থায় থেকে যায়। সম্প্রতি নদীর দখল প্রক্রিয়া নিয়ে উভয় এলাকার লোকজনের মধ্যে চলছিল অনাকাংখিত রণ প্রস্তুতি। তবে নিস্পত্তির বিষয়ে অপর পক্ষ সার্বিক সহযোগিতার হাত বাড়ালে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে উপজেলা চেয়ারম্যান অলিউর রহমান চৌধুরী অনাকাংখিত ঘটনা এড়াতে উভয় উপজেলার জনপ্রতিনিধিসহ গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে আলোচনা করে নিস্পত্তির উদ্যোগ গ্রহন করেন। বিষয়টি ছাতক থানার ওসি আতিকুর রহমানসহ পুলিশ প্রশাসনকে সমন্বয় করে অবশেষে অনাকাংখিত ঘটনা ছাড়াই পুঠিয়া ননীর সীমানা বিরোধ নিস্পত্তি হয়। এব্যাপারে বৈঠকের সভাপতি উপজেলা চেয়ারম্যান অলিউর রহমান চৌধুরী বকুল সংশিষ্ট সকলের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে জানান, দীর্ঘদিনের পুঞ্জিভুত পুঠিয়া নদীর সীমানা বিরোধ নিস্পত্তি ঘটেছে। এ কাজটি করতে পেরে তিনি নিজেকে ধন্যও মনে করছেন। অনাকাংখিত সংঘর্ষ ও রক্তপাত ঘটার আগেই বিরোধের মাটিচাপা দেয়া হয়েছে।

দৈনিক আলোর প্রতিদিন এর প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মতামত: