fbpx
প্রচ্ছদ / সারাদেশ / বিস্তারিত

প্রতারক মানসুরার ফাঁদে ঘর ছাড়া তিন সন্তানের জননী!

১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৭:০০:১০

মানসুরা আক্তার সুমি (৩৩) পটুয়াখালীর রাংগাবালী উপজেলার সফিক ফরাজির মেয়ে। এ নামটি জেলার বহু মানুষের কাছে পরিচিত। মানসুরার নাম শুনলে এলাকার সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে প্রশাসনের সকল মানুষ একটু থমকে দারায়। কারন তার কাছে রয়েছে মানুষকে প্রতারণার ফাদে ফেলার দারুণ অকৌশল।প্রতারণা করে এ পর্যন্ত ৫/৭ বিয়ে করেছেন।অনেক বিয়ের খবর এলাকায় এসে পৌছায় নাই।দেশের বিভিন্ন স্থানে মানুষকে বোকা বানিয়ে বিয়ের নামে প্রতারণা করে সর্বস্ব কেড়ে নিয়েছেন।

বর্তমানে তার প্রতারণার নতুন কৌশল সুমি’স বিউটি পার্লার। পার্লার ব্যবসার অন্তরালে অনৈতিক কাজ করেন এবং এলাকার সুন্দরী মেয়েদের ও বধুদের বিভিন্ন প্রলভন দেখিয়ে ঘর ছাড়া করার অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে। গত ১৩ জুলাই রাংগাবালী উপজেলার বাহেরচর বাজারের এক ব্যবসায়ীর স্ত্রী ও তিন সন্তানের জননী তাহমিনা বেগম মুনিয়াকে প্রতারণার ফাদে ফেলে ঘর ছাড়া করেন মানসুরা। নিয়ে যান ঢাকায়। সেখানে নিয়ে অনৈতিক কাজে ব্যবহার করানোর অভিযোগ উঠেছে মানসুরর বিরুদ্ধে।এ ঘটনায় তাহমিনার বাবা আব্দুল হক বিশ্বাস ২৮ শে আগস্ট পটুয়াখালী মানব পাচার অপরাধ দমন ট্রাইবুনালে মানসুরা সহ আর ৬ জনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেন।

আদালত অভিযোগ আমলে নিয়ে রাংগাবালি থানাকে ব্যবাস্থা গ্রহনের নির্দেশ দেন।বর্তমানে আসামিরা পলাতক রয়েছেন।অন্যদিকে ভিকটিকে আনুগত্য করতে বিভিন্ন অপকৌশল চালিয়ে যাচ্ছেন মানসুরা,দাবি মামলার বাদির।তাহমিনার বাবা ও আব্দুল হক বলেন,পার্লারে যাওয়া আসার সুত্র ধরে আমার মেয়ের সাথে আমার মেয়ের সাথে পরিচয়। সম্পর্কের একটা উন্নতি হলে বাসায় আসা যাওয়া শুরু করে মানসুরা।এক পর্যায় বিদেশে ভাল চাকরি দিবে এর প্রলভন দেখিয়ে আমার মেয়েকে ঘর ছাড়া করে।তিন সন্তান আর স্বামিকে ফেলে সবার অজান্তে তাহমিনাকে ঢাকায়ে নিয়ে যায় মানসুরা।সেখানে নিয়ে আটকে দেয় মানসুরা ও তার সংগিরা আমরা জানতে পারি মানসুরা এভাবে বিভিন্ন প্রতারণার ফাদে ফেলে মেয়েদের দিয়ে অবৈধ ব্যবসা করে। তখন আমার খুব ভয় লাগে আমার মেয়েকে নিয়ে।আমারা অনেক খোজাখুজি করে আমার মেয়েকে উদ্ধার করতে পারি নাই।এর পর আমরা মামলা করি রাংগাবালী থানা অফিসার ইনচার্জ জানান,ভিকটিমকে উদ্ধার ও আসামিদের গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

দৈনিক আলোর প্রতিদিন এর প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মতামত: