fbpx
প্রচ্ছদ / সারাদেশ / বিস্তারিত

বঙ্গোপসাগরে ডুবে যাওয়া লাইটার জাহাজের ১৪ নাবিক উদ্ধার।

১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ২:১৪:৫৭

মোঃ পারভেজ কলাপাড়া (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি ঃ
পটুয়াখালীর কলাপাড়ার পায়রা বন্দরের রাবনাবাদ মোহনা সংলগ্ন এলাকায় কন্টেনারবাহী লাইটার জাহাজ এমভি গলফ আরগো ডুবে গেছে।বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ৮টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।ডুবে যাওয়া এমভি গলফ আরগো জাহাজের ১৪ নাবিককে উদ্ধার করেছে নৌবাহিনীর সদস্যরা।শুক্রবার সকালে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর টহলরত সাংগু নামের একটি জাহাজ তাদের উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃত নাবিকরা হলেন, জাহাজের ক্যাপ্টেন কাজী আব্দুল্লাহ আল মুহিত (৩৫), চীফ ইঞ্জিনিয়ার হাসান রেজা খালিদ (৩২), চীফ অফিসার কাজী মাহমুব আলম (২৮), সেকেন্ড ইঞ্জিনিয়ার নূর আলম হিমেল (২৬), থার্ড মাস্টার মোজাম্মেল হোসেন (২৪), বোসনমেট রফিক উল্লাহ (৫৯), এ্যাবল সীম্যান জুবায়ের হোসেন (২৪) , অডিনারী সীম্যান সুজন মুখারজি (২০), অডিনারী সীম্যান মোঃ সাহাবুদ্দিনসহ (২১), শাহদাত হোসেন (৩৭), জমিরুল ইসলাম (৩০), শহিদ মিয়া (২৩), মোঃ রাজু (২৫) এবং আব্দুর রশিদ (৫০)।উদ্ধারকৃত নাবিকরা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক।বর্তমানে জাহাজটি পায়রা ফেয়ারওয়ে বয়ার কাছে ভাসমান অবস্থায় আছে। নাবিকদের উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানান পায়ারা বন্দরের ক্যাপ্টের মো. আছিব আহাম্মেদ।তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা ও খাবার প্রদান করা হয়েছে।

তবে ডুবে জাওয়া জাহাজটি এখনো উদ্ধার করতে পারেনি নৌবাহিনীর সদস্যরা। উদ্ধার হওয়া নাবিকদের শনিবার তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে জানা গেছে।নৌবাহিনীর সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে কন্টেইনারবাহী জাহাজ এমভি আরগো ১৫২টি কন্টেইনার নিয়ে চট্টগ্রাম থেকে ভারতে যাবার পথে পায়রা ফেয়ারওয়ে বয়ার কাছে পৌঁছলে ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। এসময় বঙ্গোপসাগরের উত্তাল ঢেউয়ের তান্ডবে জাহাজটি ডুবে যায়। খবর পেয়ে গভীর সমুদ্রে টহলরত বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জাহাজ সাঙ্গু তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পৌঁছে ১৪ জন নাবিককে সমুদ্রে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করে।জেলেদের সুত্রে জানান,ডুবে যাওয়া জাহাজে থাকা কন্টেইনার সমুদ্রে ভেসে গেছে। জেলেরা একটি কন্টেনার কুয়াকাটা গঙ্গামতি এলাকায় সমুদ্রে ভাসতে দেখেছে। কন্টেনারটি কুয়াকাটা সৈকতের গঙ্গামতি এলাকায় বালুতে আটকে আছে। মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সোহেল আহম্মেদ জানিয়েছেন, শুক্রবার দুপুরে গঙ্গামতি এলাকায় একটি খালি কন্টেনার পাওয়া গেছে। কন্টেনারটি পুলিশ তদারকিতে রয়েছে।পায়রা বন্দর চেয়ারম্যান কমডোর এম জাহাঙ্গীর আলম জানান, এই মুহুর্তে পায়রা বন্দরে পণ্য নিয়ে আসার কিংবা এখান থেকে যাওয়ার কোন জাহাজ নেই। এটি অন্য কোন জাহাজ হতে পারে। তবে তিনিও কোস্ট গার্ডের উর্ধতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন বলে জানান।
কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মুনিবুর রহমান জানান, তিনি খবর পেয়েছেন। কোস্টগার্ড সদস্যরা শুক্রবার সকালে বড় জাহাজ নিয়ে উদ্ধার প্রক্রিয়ায় নেমেছে।

দৈনিক আলোর প্রতিদিন এর প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মতামত: