fbpx

লোকমান হোসেন রানা

নিজস্ব প্রতিনিধি (যশোর)

বেনাপোলে পাকা কলা কেজিতে ২০-৩০টাকা বৃদ্ধি॥ ভুগান্তিতে সাধারন ক্রেতারা

৮ মে ২০১৯, ১০:৪৪:২২

মোঃলোকমান হোসেন(রানা),নিজস্ব প্রতিনিধি:-

রমজান আসলেই রোজাদার ব্যক্তিদের কাছে পাকা কলা ও দুধের কদর বেড়ে যায়।বিশেষ করে অধিকাংশ রোজাদার ব্যক্তিরা সেহরীর সময় পাকা কলা-দুধ দিয়ে খেয়ে খুব আত্ম তৃপ্তিপায়।রোজাদার ব্যক্তিরা যেমন এটি খেয়ে তৃপ্তি পায় তেমনি কলা ব্যবসায়ীরাও এই দূর্বলতার সুযোগটা কাজে লাগিয়ে ক্রেতাদের জিম্মি করে তাদের কাছ থেকে লুফে নেয় অতিরিক্ত টাকা।অন্যান্য জায়গার মত বেনাপোলও একই অবস্থা।এখানকার ক্রেতারাও এসব অসাধু ব্যবসায়ীদের কাছে ধরাসায়ী।বাজার মনিটারিং কমিটির দূর্বল ভুমিকার কারনে বেনাপোলে এই সমস্ত অসাধু ব্যবসায়ীরা তাদের ইচ্ছেমত কলার দাম হাকিয়ে যাচ্ছে।প্রথম রোজা ও দ্বিতীয় রোজায় সরোজমিনে বেনাপোল বাজারে কলার দোকানগুলোতে ঘুরে দেখা গেছে, প্রত্যেক দোকানে সাধারন ক্রেতাদের উপচে পড়া ভীড়।তবে ফুটপথের কিছু কিছু দোকানে ভাল কলার পাশাপাশি আধাকাচা কলা বিক্রি করতে দেখা যায়।

সাধারন ক্রেতাদের অভিযোগ,শুধু এ বছর না প্রতিবছর রমজান আসলেই কলার দাম বাড়ে।যে চাপা সবরি একদিন আগে কিনেছি ২৫ থেকে৩০ টাকায় সেই একই কলা এখন বাধ্য হয়ে কিনতে হচ্ছে ৫০-৬০টাকায়।দুধ সাগর বিক্রি হয়েছে ৩০ টাকা,রমজানে তা এখন বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। রোজার আগে ব্যবসায়ীরা ক্রেতাদেরকে ডেকে ডেকে কলা বিক্রি করত এখন ডাকা তো দুরের কথা দোকান্দারদের একটাই কথা,এক দাম নিলে নেও,না নিলে রাস্তা মাপ।নিন্ম আয়ের অনেকেই দাম কম পেয়ে আধা পচা কলা কিনে নিয়ে যাচ্ছে।বাজার মনিটারিং কমিটির দূর্বল ভুমিকার কারনে বেনাপোল এই সব অসাধু ব্যবসায়ীরা তাদের ইচ্ছেমত ক্রেতাদেরকে জিম্মি করে বেশী দামে কলা কিনতে বাধ্য করা হচ্ছে। যদি প্রতিদিন বাজার মনিটারিং করা হতো বা তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতো তাহলে ব্যবসায়ীরা হঠাৎ করে দ্রব্য মুল্য বৃদ্ধির সাহস পেত না।রমজানে দ্রব্যমুল্য বৃদ্ধির পিছনে বাজার মনিটারিং কমিটির গোপন হাত রয়েছে বলে অনেক ক্রেতাদের অভিযোগ।

মুল্য বৃদ্ধির ব্যাপারে এক কলা বিক্রেতার সাথে কথা হলে তারা বলেন,চাহিদার তুলনায় কলা কম তাই বাধ্য হয়ে বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।আরেক ব্যাপারি বলেন,বোঝেনতো এটা রমজান মাস,এত খরিদ্দার অন্য মাসে পাওয়া যায়না না,তাছাড়া সামনে ঈদ,অনেক খরচ, একটু পুষিয়ে নিই।মাহে রমজানে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যে মূল্য নিয়ন্ত্রনে রাখতে সর্বক্ষনিক বাজারে মনিটারিং সেল রাখার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

দৈনিক আলোর প্রতিদিন এর প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মতামত: