fbpx
প্রচ্ছদ / সারাদেশ / বিস্তারিত

মো. দ্বীন ইসলাম

মতলব উত্তর (চাঁদপুর)

মতলব উত্তরের জোড়খালি-দশানী রাস্তার বেহাল দশা

২৩ আগস্ট ২০১৯, ৯:৪৯:৩১

মতলব উত্তর উপজেলার ছেংগারচর পৌরসভার জোড়খালি থেকে দশানী বেড়ি বাঁধ রাস্তার বেহাল দশা। দীর্ঘ দিন সংস্কার না হওয়ায় রাস্তাগুলো খানাখন্দে ভরা ও ছোট-বড় অসংখ্য গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। তাই চলাচল করতে গিয়ে প্রতিনিয়িত পথচারী ও যাত্রীরা ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় ১নং ওয়ার্ডের জোড়খালি থেকে দশানী বেড়িবাঁধ পর্যন্ত দুই কিলোমিটার সড়কের।
স্থানীয়রা জানান, ছেংগারচর পৌরসভার জোড়খালি থেকে দশানী বেড়িবাঁধ পর্যন্ত এ রাস্তাটি জনগুরুত্বপূর্ণ। বিগত ১০ বছর পূর্বে এ রাস্তাটি নির্মাণ হলেও এরপর কোন সংস্কার হয়নি এ সড়কের। এ সড়ক দিযে দশানী, জোড়খালি ও বারোআনি গ্রামের লোকজন চলাচল করে থাকে। এ পথে জোড়খালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ছেংগারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ছেংগারচর মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও ছেংগারচর সরকারি ডিগ্রি কলেজ’সহ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা স্কুলে যাতায়াত করে থােিক। সড়কের পিচ, সুরকি, ইট উঠে গিয়ে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টি হলেই ওইসব গর্তে পানি আটকে থাকে। কোথাও কোথাও হাটু পানি দেখা গেছে। এ রাস্তা দিয়ে তাদের চলাচল করতে দুর্ভোগ পোহাতে হয়।


মতলব উত্তর উপজেলার ছেংগারচর পৌরসভার জোড়খালি থেকে দশানী বেড়ি বাঁধ রাস্তার বেহাল দশা।

জোড়খালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বলেন, রাস্তার বেহাল দশায় চলাচল করতে খুবই অসুবিধা হয়।
ছেংগারচর সরকারি ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক বলেন, রাস্তায় গর্ত থাকায় মোটরসাইকেল চালাতে হিমশিম খেতে হয়। জরুরি ভিত্তিতে রাস্তার সংস্কার করা প্রয়োজন।
মুক্তিযোদ্ধা ছানা উল্লাহ মেম্বার বলেন, ছেংগারচর পৌরসভার রাস্তাগুলো গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ও যানবাহন চলাচল করছে এ রাস্তা দিয়ে। তবে রাস্তার করুণ দশায় যানচলাচলে বিঘ্ন ঘটে।
জোড়খালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি রেজাউল করীম লিটন জানান, রাস্তাটি চলাচল অযোগ্য হয়ে পড়েছে। দ্রুত সংস্কার করা না হলে পথচারী, শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ বাড়ছে।
জাড়খালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন, রাস্তা চলাচল অযোগ্য হওয়ায় শিক্ষারা স্কুল আসছে পারছেনা। ছেংগারচর পৌরসভার প্যানেল মেয়র বোরহান উদ্দিন প্রধান জানান, জরাজীর্ণ রাস্তাগুলোর সংস্কার করার জন্য ব্যাবস্থা নেয়া হচ্ছে।

দৈনিক আলোর প্রতিদিন এর প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মতামত: