fbpx
প্রচ্ছদ / Uncategorized / বিস্তারিত

মতলব উত্তরের দশানী মোহনপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে হাজিরা দেবে শিক্ষার্থীরা

৫ জুলাই ২০১৯, ১২:৪৭:২৪

মতলব উত্তর উপজেলার দশানী মোহনপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে বায়োমেট্রিক পদ্ধতির হাজিরা ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের উদ্বোধন করেন- মতলব উত্তর উপজেলার নির্বাহী অফিসার শারমিন আক্তার।

মতলব উত্তর ব্যুরো :
চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার খ্যাতনামা বিদ্যাপীঠ দশানী মোহনপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি জাতীয় স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা সামমছুল হক চৌধুরী বাবুল’র অর্থায়নে দশানী মোহনপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে চালু হয়েছে শিক্ষার্থীদের বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে দৈনিক হাজিরা গ্রহন। বৃহস্পতিবার (৪ জুলাই) সকালে বায়োমেট্রিক পদ্ধতির এই ডিজিটাল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের উদ্বোধন করেন- মতলব উত্তর উপজেলার নির্বাহী অফিসার শারমিন আক্তার।

দশানী মোহনপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি সামছুল হক চৌধুরী বাবুল এর সভাপতিত্বে ও অভিভাবক সদস্য মো. নুরুজ্জামানের স ালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন- উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আবদুল কাইয়ুম খান, মোহনপুর আলী আহমদ মিয়া মহ্যাবিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ এটিএম ফেরদৌস আহমদ, দশানী মোহনপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনসুর আহমদ।

উদ্বোধনকালে শারমিন আক্তার বলেছেন- সরকারের ডিজিটাল উন্নয়নের ধারাবাহিকতা এখন শিক্ষা সেক্টরে বেশ সাড়া জাগিয়েছে। ডিজিটাল পদ্ধতিতে হাজিরা ধারাবাহিকভাবে উপজেলার অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও চালু করা হবে। এ পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীরা আঙুলের ছাপ-কার্ড পা করে ক্লাসে প্রবেশ এবং ছুটির সময় অনুরূপ প্রক্রিয়ার কারণে শিক্ষার্থীদের স্কুল ফাঁকি দেয়ার প্রবণতা কমে আসবে। এছাড়াও অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের স্কুলে পাঠিয়ে কিংবা বাড়ি ফেরা নিয়ে যে উৎকণ্ঠায় থাকতেন সেটার অবসান হবে। এই পদ্ধতি ব্যবহারে শ্রেনী শিক্ষকের কাজ কমে যাবে। ছাত্রীদের হাজিরার জন্য আর রোল নম্বর ধরে ডাকা লাগবে না। সর্বোপরি শিক্ষার মানোন্নয়নে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।


দশানী মোহনপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা কমিটির সভাপতি সামছুল হক চৌধুরী বাবুল বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষিত ভিশন ২০২১ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বায়োমেট্রিক হাজিরা চালুু করেছি। যার ফলে আমাদের স্কুলটি আরো একধাপ এগিয়ে গেল। এখন থেকে বিদ্যালয়ের শিক্ষক মেশিনে আঙ্গুলের ছাপ ও শিক্ষার্থীরা পা কার্ড ব্যবহার করে হাজিরা দিবে। আর কোন শিক্ষার্থী যদি স্কুলে না আসে তাহলে তার অভিভাবকদের মোবাইলে ‘আপনার সন্তান আজকে বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত’ এই ম্যাসেজটি অটোমেটিক চলে যাবে। ফলে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার আগের তুলুনায় বৃদ্ধি পাবে বলে আমরা আশাবাদী। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মানসুর আহমেদ জানান, এখন থেকে বিদ্যালয়ের সকল শ্রেণির শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নেয়া হবে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে। এই পদ্ধতির ফলে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে উপস্থিতি ও প্রস্থানের ক্ষুদে বার্তা পৌঁছে যাবে অভিভাবকদের মোবাইল ফোনে। তিনি আরো জানান, প্রযুক্তিগত উন্নয়নের পাশাপাশি বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের ডিজিটাল হাজিরার জন্য একটি বিশেষ ডিজিটাল পরিচয়পত্র সরবরাহ করা হয়েছে। মোহনপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়েও বায়োমেট্টিক হাজিরার উদ্বোধন করা হয়।

শিক্ষার্থীদের পরিচয় পত্র প্রদান করা হয়। ইউএনও শারমিন আক্তার মোহনপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিভিন্ন শ্রেণী কক্ষ পরিদর্শন করেন। এ সময় বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকা এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও ছাত্র-ছাত্রীরা উপস্থিত ছিলেন।

দৈনিক আলোর প্রতিদিন এর প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মতামত: