fbpx
প্রচ্ছদ / শিক্ষা / বিস্তারিত

ডি. এম. আরাফাত হোসাইন

জাবি প্রতিনিধি

মীর মশাররফ হোসেন হল;জাবির প্রজাপতি হল

২৯ মে ২০১৮, ৯:৪০:০৯

ডি. এম. অারাফাত হোসাইন, জাবিঃ
মীর মশাররফ হোসেন হল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম বৃহত্তম হল৷ যা প্রজাপতি হল নামেও সুপরিচিত। চারতলা বিশিষ্ট হলটি মুক্ত হাওয়া ও মনোরম পরিবেশে অবস্থিত। ১৯৭৩ সালে হলটি প্রতিষ্ঠিত হয়। হলের নকশা করেন বিশিষ্ট স্থপিত মাজহারুল ইসলাম। হলের প্রথম প্রভোস্ট হিসাবে রসায়ন বিভাগের ডঃ মেসবাহউদ্দিন আহমেদ ১৯৭৩ সালের ৬ আগস্ট দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। হলটি ১৯৭৩ সালের ৬ আগস্ট থেকে ১৯৭৮ সালের ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত ২ নং হল হিসাবে পরিচিত ছিল। ১৯৭৮ সালের ১৪ এপ্রিল অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুসারে “বিষাদ সিন্ধু” উপন্যাস রচয়িতা, অমর কথাশিল্পী মীর মশাররফ হোসেনের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা রেখে হলটির নাম করণ করা হয় “মীর মশাররফ হোসেন হল”।

হলটিতে ৭১৬ জন ছাত্রের আসন রয়েছে। এর মধ্যে এক আসন বিশিষ্ট ২৬৪টি এবং দু আসন বিশিষ্ট ২২৬টি কক্ষ৷ এ ছাড়া হল সংলগ্ন ১২ জন আবাসিক শিক্ষকের বাসভবন, হলের উত্তর পার্শ্বে দ্বি-তল হল অফিস, হল ছাত্র সংসদ অফিস এবং হলের উত্তর-পশ্চিম পার্শ্বে প্রভোস্টের দ্বি-তল বাসভবন অবস্থিত। ১৯৭৩ সালের ১৪ ডিসেম্বরে হলের প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু হয় এবং ১৯৭৪ এর জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাস থেকে ছাত্র বসবাস শুরু করে।

বর্তমানে হল প্রশাসন পরিচালনার জন্য ১ জন প্রভোস্ট, ২ জন ওয়ার্ডেন, ৩ জন আবাসিক শিক্ষক, ৭ জন সহকারী আবাসিক শিক্ষক, ২ জন প্রশাসনিক অফিসার, ২২ জন তৃতীয় শ্রেণী এবং ৪১ জন ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারী ও ডাইনিং বয়সহ ২২জন অনিয়মিত ডাইনিং কর্মচারী রয়েছে। মীর মশাররফ হোসেন হল ও এর অাশপাশের সৌন্দর্য ও মনোরম পরিবেশের কারণে সমস্ত ক্যাম্পাস জুড়ে এর সুখ্যাতি রয়েছে।

দৈনিক আলোর প্রতিদিন এর প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মতামত: