উত্তম চক্রবর্তী

মনিরামপুর(যশোর)

রাজগঞ্জে খেজুরের রস সংগ্রহের পর পাটালি গুড় তৈরীতে ব্যস্ত গাছিরা

২ ডিসেম্বর ২০১৮, ৭:১৯:৪৭

উত্তম চক্রবর্তী,মণিরামপুর(যশোর)অফিস ॥ যশোরের রাজগঞ্জের প্রত্যন্ত এলাকায় গাছিরা এখন খেজুর রস সংগ্রহের জন্য মহাব্যস্ত হয়ে পড়েছে৷ রাজগঞ্জ এলাকার গাছিরা খেজুরের গাছ তৈরি শেষ করে এখন রস সংগ্রহ শুরু করেছে। গ্রাম-বাংলার গ্রামীণ জনপদে শুরু হয়েছে উৎসব মুখর পরিবেশ। রাজগঞ্জের প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের গাছিরা ছোট-বড় বিভিন্ন রকমের খেজুর গাছ থেকে রস সংগ্রহ করে পাটালি গুড় তৈরীতে ব্যস্ত৷ তবে নতুন পাটালি গুড়ের দাম একটু চড়া বলে জানালেন ক্রেতারা৷

এদিকে, উৎপাদনকারিরা বলছে, খেজুর গাছ সংকটের কারনে রস সংগ্রহ কমে গেছে৷ এজন্য গুড়ের দাম একটু বেশি৷ আর ভালো গুড়ের দাম সব সময় বেশিই হয়৷
আশ্বিনের শুরুতেই গাছ তোলা ও পরিচর্যা করে গাছিরা। এখন খেজুরের পাটালি গুড় উৎপাদনের উপযুক্ত সময়৷

এজন্য গাছিরা বসে নেই৷ রাজগঞ্জের বেশ কয়েকটি গ্রামে খেজুরের পাটালি গুড় তৈরির সুখ্যাতি রয়েছে। এই এলাকার খেজুর গুড় স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বিক্রয় করা হচ্ছে। রাজগঞ্জের গ্রাম্য মেঠো পথের ধারে এখনো চোখে পড়ে খেজুর গাছের সারি।
এছাড়া মাঠের বিভিন্ন আইলে এবং ক্ষেতের মাঝেও খেজুর গাছ দেখা যায়।

তাছাড়া খেজুরের গুড় দিয়ে মুড়ির মোয়া, চিরার মোয়া ও মুড়ি খাওয়ার জন্য কৃষক পরিবার থেকে শুরু করে সর্বস্তরের মানুষের কাছে শীতের মওসুম অতি প্রিয়।
গাছিরা খেজুরের পাটালি গুড় তৈরি করে রাজগঞ্জ পাইকারি বাজারে ২শ’ ৫০ টাকা থেকে ৩শ’ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছে।

গাছিরা শীতের মওসুম ব্যাপি খেজুর গাছ কেটে রস সংগ্রহ করে সেই রস জ্বালিয়ে গুড় তৈরি করবে৷
এখন এমওসুমের শুরু৷ তাই গাছিরা বাড়ির উঠানে, বাগানে ও রাস্তার ধারে চুলা তৈরী করে সেখানে গুড় বানানোর কাজ করে চলেছে।

দৈনিক আলোর প্রতিদিন এর প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মতামত: