fbpx
প্রচ্ছদ / সারাদেশ / বিস্তারিত

রাজগঞ্জে নারী পাচারকারী চক্রের প্রধান আলম জনগনের হাতে আটক, পুলিশে সোপর্দ

১৩ জুলাই ২০১৯, ১২:৩২:১৮

উত্তম চক্রবর্তী :
রাজগঞ্জে নারী পাচারকারী চক্রের প্রধান আলমকে (৩৩) স্থানীয় জনগন আটক করে পুলিশের সোপর্দ করেছে।
জানাযায়, রাজগঞ্জের ঝাঁপা গ্রামের আব্দুস সাত্তারের ছেলে আলোচিত নারী পাচারকারী আলমগীর হোসেন ওরফে আলম গত বৃহস্পতিবার দুপুরে লক্ষনপুর মহিলা দাখিল মাদ্রাসার ৮ম শ্রেনির ছাত্রী নুরজাহান ওরফে এমেলীকে মাদ্রাসা থেকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ডেকে নিয়ে ভারতে পাচারের উদ্দেশ্য বেনাপোলে নিয়ে যায়। সেখান থেকে ভারতে পার হওয়ার জন্য রাত ১২টার দিকে শার্শা উপজেলার গোগা ইউনিয়নের পাঁচভুলট গ্রামে পৌছালে গ্রামের লোকজন সন্দেহ হলে তাদেরকে আটক করে। মেয়ের কাছে থাকা তার বাড়ির মোবাইল নম্বর নিয়ে স্থানীয়রা তার পিতা-মাতার সাথে যোগাযোগ করে এবং আটক হওয়ার ঘটনাটি বলে।

শুক্রবার সকালে মেয়ের পিতা ভাইসহ অন্যরা চেয়ারম্যান সামছুল হক মন্টু ও মেম্বর আব্দুর রশিদ কে নিয়ে ঘটনাস্থলে যায়। সেখান থেকে নারী পাচারকারীসহ মেয়েকে শুক্রবার বিকালে বাড়িতে নিয়ে আসে। নারী পাচারকারীকে গণধোলাইয়ের পর মেয়েসহ পাচারকারীকে রাজগঞ্জ পুলিশের কাছে সোর্পদ করে।

উল্লেখ্য, রাজগঞ্জের ঝাঁপা ইউনিয়নের হানুয়ার গ্রামের ইমদাদ গাজীর মেয়ে নুরজাহান রতেœশ্বরপুর গ্রামের বজলুর রহমানের বাড়িতে থেকে মাদ্রাসায় পড়ালেখা করতো।
এদিকে নারী পাচারকারী আলম জানায়, সে ইতিপূর্বে চালুয়াহাটী ও পারখাজুরা গ্রাম থেকে দুটি মেয়েকে ভারতে পাচার করেছে। সে আরো জানায়, এ ঘটনায় তার নামে আদালতে মামলা রয়েছে।

ঝাঁপা ইউপি চেয়ারম্যান সামছুল হক মন্টু জানায়, নারী পাচারকারী আলমের সাথে এলাকার অনেকেই জড়িত আছে। যা সে নিজে স্বীকার করেছে। রাজগঞ্জ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের তদন্ত ইনচার্জ ইন্সপেক্টর তারিকুল ইসলাম বলেন, নারী পাচারকারী ও শিশু নির্যাতন অপরাধ আইনে মামলা দিয়ে জেল হাজতে প্রেরন করা হবে।

দৈনিক আলোর প্রতিদিন এর প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মতামত: