fbpx
প্রচ্ছদ / সারাদেশ / বিস্তারিত

রাজাপুরে মোবাইলে লুডু জুয়া জমজমাট, বিপথগামী যুবসমাজ

২২ অক্টোবর ২০১৯, ৫:৩৪:২১

কামরুল হাসান মুরাদ:: সাপ লুডু খেলাটির সাথে কমবেশী সবাই পরিচিত। ঘরে বসে ভাই বোন আত্বীয় স্বজনদের সাথে নিয়ে সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা সাপ লুডুর খেলা ভোলার নয়। বিশেষ করে মেয়েদের কাছে ছিল অবসর সময়ের সঙ্গী। তবে মোবাইলে নয়! সেটি ছিল কাগজের লুডু এবং চার-ছক্কার খেলা। অলস সময়ে বৃষ্টির দিনে আনন্দের সাথে সময় পার করার জন্য অনেকেই খেলতো এই লুডু খেলাটি। কিন্তু বর্তমানে এই খেলাটি এক অসাধু শ্রেনীর মানুষের কাছে জুয়ায় পরিনতি হয়েছে। এই খেলার সফটওয়্যারটি মোবাইলে আসার পর জুয়ারিদের কাছে সহজ সরঞ্জাম হিসেবে ব্যবহার করছে। মোবাইল লুডু বা মোবাইলে জুয়া। ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর উপজেলার সর্বত্র চলছে মোবাইলে জমজমাট লুডু জুয়া। এতে করে বিপথগামী হচ্ছে যুবসমাজসহ নানা পেশার মানুষ। বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ছোট-বড় বিভিন্ন দোকানে, খেলার মাঠে, স্কুল মাঠে বা গোপনে কোনো নির্জন স্থানে চলছে লুডু জুয়া।

অসাধু এক শ্রেনীর লোকেরা প্রতি গেইমে ১০ থেকে ৫০ টাকা বাজি ধরছে। আরেক শ্রেনীর জুয়ারীরা ৫০০ থেকে ১০০০ টাকা প্রতি গেইমে খেলছে। কেউ হারছে আবার কেউ জিতছে। যিনি হারছেন তিনি জিতার লোভে আবারও খেলছে! এক সময় হারা ব্যক্তির পকেটের টাকা চলে আসে শূন্যের কোটায়। কেউ শূন্য থেকে হিরো! আবার কেউ হিরো থেকে শূন্যতেই শেষ। একদিন হারতে হারতে একসময় নিঃস্ব হয়ে যায় সেই জুয়ারী ব্যক্তি। সেটাই স্বাভাবিক। একমাত্র জুয়াই মানুষকে ধ্বংস করে দেয়। দেশে শতশত প্রমান আছে যে, জুয়ায় মানুষকে একদম পথের ফকির বানিয়ে দেয়। তখন সে ধার-দেনা করতে করতে একটা সময় মানসিক অশান্তিতে থাকে এবং তার ঘরের বাবা-মা সহ পরিবারের সবাই অশান্তিতে ভুগে।
সচেতন নাগরিকরা মনে করছে এর মাধ্যমে যুবসমাজ নষ্টের পথে চলে যাচ্ছে। এখনি সমাজ থেকে সব ধরনের জুয়া বন্ধ না করলে যুবসমাজ বিপথগামী হবে।

দৈনিক আলোর প্রতিদিন এর প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মতামত: