করোনা লাইভ
আজকে আক্রান্ত : ২,৬৩৫ ◈ আজকে মৃত্যু : ৩৫ ◈ মোট সুস্থ্য : ১৩,৩২৫
প্রচ্ছদ / সারাদেশ / বিস্তারিত

রাজাপুরে সংখ্যালঘু পরিবারের বিরুদ্ধে মুসলমানের ঘর দখলের পায়তারার অভিযোগ

২৮ মার্চ ২০২০, ৮:১৮:২৫

কামরুল হাসান মুরাদ:: ঝালকাঠি জেলার রাজাপুর উপজেলার সাতুরিয়া ইউনিয়নের লেবুবুনিয়া এলাকায় এক হিন্দু পরিবারের বিরুদ্ধে মুসলমানদের নির্মান করা বসতঘর দখলের পায়তারার অভিযোগ পাওয়া গেছে। উপজেলার লেবুবুনিয়া এলাকার মৃত. মোদাচ্ছের আলী আকনের ছেলে আমির হোসেন আকন অভিযোগ করে জানান, ১৯৬২-৬৩ সালে জমির মূল মালিক স্থানীয় বৈখুন্ড নাথ ও শীতানাথ এর কাছ থেকে আমার বাবা দলীল মূলে ১একর চল্লিশ শতাংশ জমি ক্রয় করেছেন এবং তখনকার থেকেই আমরা ভোগ দখল করে আসছি। কিন্তু সম্প্রতি ভুলবসত ওখান থেকে কিছু জমি একই এলাকার অমল চন্দ্র শীলদের নামে বিএস রেকর্ড হয়েছে এখন বিভিন্ন রকম ভাবে অমল চন্দ্র শীল ও তার ছেলে অসীম শীল এবং তার মেয়ে জামাই উত্তম আমাদের এ জমি বিভিন্ন ভাবে দখল করার চেষ্ঠা করতেছে এবং আমাদেকে হয়রানী করে আসছে। আমাদের জায়গায় আমরা গাছ পালা লাগিয়েছি ঘর উঠিয়ে ছিলাম। হঠাত গত ২৩মার্চ রাতে আমাদের নির্মান করা ঘরের ভিতর হিন্দুদের মন্দিরের ছবি রেখে মন্দির করার পায়তারা করছে।

লিখিত অভিযোগের ভিক্তিতে শনিবার (২৮ মার্চ) সকালে সরোজমিনে গেলে সাতুরিয়া ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড আ.লীগের সভাপতি রবিন্দ্রনাথ দাস জানান, এই জমিটি আমাদের বংশের লোকদের ছিল, বহু বছর আগে আমির হোসেন আকনের বাবা আমাদের বংশের লোকজনের কাছ থেকে ক্রয় করেছেন। কিন্তু অমল চন্দ্র শীলরা কার কাছ থেকে জমি ক্রয় করছে তা আমি জানি না।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত অমল চন্দ্র শীল এর কাছে জানতে চাইলে তিনি ও তার পরিবার কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে বলেন কিছু জানার থাকলে ওসি স্যারের কাছে জানেন।

এ বিষয়ে রাজাপুর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো: জাহিদ হোসেন জানান, তারা আমাদের কাছে কোন লিখিত অভিযোগ জানায়নি। তাদের জমি সংক্রান্ত বিরোধ আছে এটা ইউএনও মহোদয়ের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে তিনি আমাকে তদন্ত করে দেখতে বলেছেন তাই আমরা সরোজমিনে গিয়েছিলাম। তাদের এই জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে তবে স্থানীয় মেম্বার, চেয়ারম্যান সহ সালিশগন এই জমির মেপে উভয়কে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু সেটা মানেননি এরপর মুসলমানরা ওখানে ঘর তুলেছেন পরে হিন্দু পরিবারটি আবার সে ঘরে তাদের কিছু মুত্তির কাগজপত্র রাখছেন। তবে উভয়ে আবার স্থানীয় ভাবে ফয়সালার জন্য সালিশ মানছেন।

দৈনিক আলোর প্রতিদিন এর প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মতামত: