fbpx

কামরুল হাসান মুরাদ

ঝালকাঠি প্রতিনিধি

রাজাপুরে সেনা সদস্যকে ষড়যন্ত্র মূলক মামলা দিয়ে হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

৩ এপ্রিল ২০১৮, ৯:১৪:৫৪

কামরুল হাসান মুরাদ:: ঝালকাঠির রাজাপুরে সেনা সদস্যকে ষড়যন্ত্র মূলক মামলা দিয়ে হয়রানির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার। ৩ মার্চ মঙ্গলবার বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম (বিএমএসএফ) রাজাপুর উপজেলা শাখার কার্যালয়ে সেনা সদস্য মো:মনির সিকদারের স্ত্রী মোসা:মাকসুরা আক্তার তুলি এ সংবাদ সম্মেলন করেন।
তিনি তার লিখিত বক্তব্যে অভিযোগ করে জনান, আমার স্বামী-মো:মনির সিকদার,গ্রাম:ছোট কৈবর্তখালি,উপজেলা:রাজাপুর,জেলা:ঝালকাঠি। আমার স্বামী মো:মনির সিকদার বর্তমানে চট্রগ্রাম কাপ্তাই সেনানিবাসে সিপিএল পদে কর্মরত আছেন তাছাড়া চাকুরীর সুবাদে দীর্ঘদিন বরিশাল র‌্যাব-৮ সহ অন্যান্য স্থানে কর্মরত ছিলেন। সেই সুবাদে এলাকার অনেক লোকজন সহ আমাদের আতœীয় স্বজন রা সমস্যায় পড়লে আমার স্বামী মো:মনির সিকদারের কাছে পরামার্শের জন্য ছুটে আসতেন। তারই ধারাবাহিকতায় গত ২০ মার্চ ২০১৮ তাং এ মামলার বাদী মো:মোতালেব সিকদার ওরফে কাবাতু সিকদার ও কুদ্দুস হাওলাদার এর মধ্য জমিজমা ও টাকা পয়সা নিয়ে বিরোধ থাকায় তার সমাধানের জন্য আমার স্বামীর নিকট আসেন। আমার স্বামী বিরোধের সুষ্ঠ সমাধান করলে তা মো:মোতালেব সিকদার ওরফে কাবাতু সিকদারের মনমত না হওয়ায় আমাদের পারিবারিক পূর্বশত্রু তৃতীয় পক্ষদের সাথে হাত মিলিয়ে অসাধুউপায় অবলম্বন করে বিষয়টিতে অন্যদিকে প্রবাাহিত করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করে এবং পূর্বশত্রুতার প্রতিশোধ নেয়। শত্রুপক্ষ আমার স্বামী মনির সিকদারের নামে রাজাপুর থানায় একটি সাজানো অভিযোগ করেন এবং অভিযোগের ভিত্তিতে থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে তার বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে সেনাবাহিনির কাছে তাকে হস্তান্তর করেন।বর্তমানে সে তার কর্মস্থানে কর্মরত আছে এবং তার বিরুদ্ধে মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে। সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি দাবি জানান, আমার স্বামীর সাথে হওয়া ঘটনার পূর্ন ও সঠিক তদন্ত পূর্বক সুষ্ঠ সমাধান পেতে পারি এবং পারিবারিক পূর্ব পরিকল্পিত শত্রুদের হাত থেকে আমরা বাচঁতে পারি সে জন্য প্রসাশনের উর্দ্ধতন মহলের কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন।সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন মনির সিকদারের ছোট ভাই মো:মহসিন সিকদার ও মনির এর ছেলে মাহিম মুনাম।

দৈনিক আলোর প্রতিদিন এর প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মতামত: