fbpx
প্রচ্ছদ / সারাদেশ / বিস্তারিত

রাজারহাটে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিদ্যুৎসাহী নির্বাচনকে ঘিরে স্থানীয় জাতীয়পার্টির জমজমাট ব্যবসা

১৮ জুন ২০১৯, ৯:৪৩:৫১

এ.এস.লিমন,রাজারহাট (কুড়িগ্রাম)প্রতিনিধিঃ
ংকুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার ১২২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৭০টি বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ায় নতুন কমিটি গঠনে স্থানীয় সংসদ সদস্যের নিকট প্রধান শিক্ষকের মাধ্যমে প্রস্তাব পাঠানো হয়।বিদ্যুৎসাহী পুরুষ ও মহিলা নির্বাচনের জন্য। একাধিক মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে,রাজারহাট উপজেলার জাপার এক প্রভাবশালী নেতার নেতৃতে ¡

জাপার নেতা কর্মীরা ওইসব বিদ্যালয়ে এমএলএস (নৈশ প্রহরী) নিয়োগ হবে মোটা অংকের উৎকোচের বিনিময়ে তাই কমিটি গঠনে কোন ধরনের পরিপত্র না মেনে ক্যাচমেন্ট এলাকার বাইরের লোককে সংযুক্ত করে এমপি পনির উদ্দিন আহমেদ এর নিকট অনুমোদন নিয়েছে। এ নিয়ে ওইসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে অসন্তোষ বিরাজ করছে।যেকোন মুহুর্তে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে স্থানীয়রা আশংকা করছেন।সরেজমিনে ছিনাই ইউপির কিশামত ছিনাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ব্রাক্ষণপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ,চওড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ,পূর্বদেবত্তর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ছত্রজিৎ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একই চিত্র দেখা গেছে।কিশামত ছিনাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু তাহের ব্যাপারি এবং পূর্বদেবত্তর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক লাল বাবুর সঙ্গে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তারা বলেন, ২০১৮ সালে এপ্রিল মাসে বিদ্যালয়ে কমিটি গঠনের পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন প্রয়াত এমপি তাজুল ইসলাম চৌধুরীর নিকট আমরা মহামান্য রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে তিনজনকে স্ব প্রতিষ্ঠানের ক্যাচমেন্ট এলাকার মধ্যে তিনজন ব্যক্তির নাম পাঠিয়ে দেই।পরবর্তীতে কমিটি গঠনে অনৈক্য দেখা দিলে কমিটি গঠন করা হয়নি।

পরবর্তীতে বর্তমান সংসদ সদস্য পনির উদ্দিন আহমেদ কর্তৃক পূর্বের পাঠানো প্যাডে দেখতে পাচ্ছি চারজনের করে নাম হাতে লিখে দেয়া হয়েছে,তাও আবার ক্যাচমেন্ট এলাকার বাইরে কিছু যুবকের নাম এমপি মহোদয়ের স¦াক্ষর ও সীল ব্যবহার করা হয়েছে।

যা নিয়ে আমরা বিপাকে পড়েছি। পরে জেনেছি নাম প্রকাশ না করার শর্তে তারা বলেন, রাজারহাট উপজেলা শাখার জাতীয় পার্টির এক প্রভাবশালী নেতা ওই কাজটি করেছেন। আমরাও চাই এর একটা দ্রুত সুরাহা হউক। এ বিষয়ে রাজারহাট উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ আতিকুর ইসলাম বলেন, ২০১৮ সালে কমিটির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ায় তৎকালীন প্রয়াত এমপি মহোদয়ের নিকট বিদ্যুৎসাহী পুরুষ ও মহিলা নামের তালিকা প্রস্তুত করে স¦ স্ব প্রতিষ্ঠানের প্যাডে প্রধান শিক্ষক স্বাক্ষরিত তালিকা আমরা পাঠিয়ে দেই। পরে তিনি স্বাক্ষর না করায় ওই অবস্থায় পড়েছিল।বর্তমান সংসদ সদস্য ওই তালিকাগুলোতে স্বাক্ষর করেন।আর ক্যাচমেন্ট এলাকার বাইরে কেউ বিদ্যুৎসাহী সদস্য হতে পারবেন না।এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম-২ আসনের বর্তমান সাংসদ পনির উদ্দিন আহমেদের সঙ্গে তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি।

দৈনিক আলোর প্রতিদিন এর প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মতামত: