fbpx
প্রচ্ছদ / সারাবিশ্ব / বিস্তারিত

রামকৃষ্ণ মিশনে কুমারী পূজা সম্পন্ন

৬ অক্টোবর ২০১৯, ১২:০৫:১৭

শারদীয় দুর্গাপূজার মহাষ্টমীর দিনে রাজধানীর রামকৃষ্ণ মিশনসহ কয়েকটি স্থানে অনুষ্ঠিত হয়েছে কুমারী পূজা।

রবিবার সকাল নয়টার দিকে মণ্ডপে অধিষ্ঠিত হন ‘কুমারী মা’। এ সময় বিরামহীন ঢাক-ঢোল, কাঁসর আর ঘণ্টার শব্দে মুখরিত হয়ে ওঠে পূজামণ্ডপ।

বিভিন্ন পূজামণ্ডপে বৃষ্টি উপেক্ষা করে হাজারো লোকের ভিড়ে এমনই জয়ধ্বনি দিয়ে ভক্তরা ভক্তিভরে বরণ করে নেন ‘কুমারী’ মাকে। মাতৃভাবে কুমারী কন্যাকে জীবন্ত প্রতিমা করে তাতে জগজ্জননীর উদ্দেশে শ্রদ্ধা নিবেদন করার উদ্দেশেই এ কুমারীপূজা।

রাজধানীর রামকৃষ্ণ মিশনে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মণ্ডপে আসেন ‘কুমারী মা’ প্রিয়তা বন্দ্যোপাধ্যায় (শাস্ত্র অনুযায়ী তাঁর নামকরণ করা হয় ‘সুভগা’)। লাল টুকুটকে বেনারসি শাড়ি পরে আসেন ‘কুমারী মা’। আসনে আসার পরপরই শুরু হয় পূজার আনুষ্ঠানিকতা। শুরুতেই গঙ্গা জল ছিটিয়ে ‘কুমারী মা’- কে পরিপূর্ণ শুদ্ধ করে তোলা হয়। এরপর ‘কুমারী মা’র চরণযুগল ধুয়ে তাকে বিশেষ অর্ঘ্য প্রদান করা হয়। অর্ঘ্যের শঙ্খপাত্র সজ্জিত ছিল গঙ্গাজল, বেল পাতা, আতপ চাল, চন্দন, পুষ্প ও দূর্বাঘাস দিয়ে। কুমারীপূজার ১৬টি উপকরণ দিয়ে পূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। এরপর অগ্নি, জল, বস্ত্র, পুষ্প ও বায়ু- এ পাঁচ উপকরণে দেওয়া হয় ‘কুমারী’ মায়ের পূজা। অর্ঘ্য প্রদানের পর দেবীর গলায় পরানো হয় পুষ্পমাল্য। পূজা শেষে প্রধান পুজারী দেবীর আরতি দেন এবং তাকে প্রণাম করেন। সবশেষে পূজার মন্ত্রপাঠ করে ভক্তদের মধ্যে চরণামৃত বিতরণের মধ্য দিয়ে সকাল ১০টার কিছু পরে শেষ হয় পূজার আনুষ্ঠানিকতা।

পূজা উপলক্ষে ভক্তদের জন্য রামকৃষ্ণ মিশন ছাড়াও দেশের অন্যান্য পূজামণ্ডপ ও সংলগ্ন এলাকায় ছিল কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা৷

দৈনিক আলোর প্রতিদিন এর প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মতামত: