শিরোনাম
     করোনা লাইভ
আজকে আক্রান্ত : ১,২৩০ ◈ আজকে মৃত্যু : ৩৩ ◈ মোট সুস্থ্য : ৭১৫,৩২১

রায়পুর উপজেলা কালবৈশাখীর অতি বৃষ্টির কারণে বিপাকে সয়াবিন চাষিরা।

৫ মে ২০১৮, ৯:১৪:০২

রায়পুর উপজেলা কালবৈশাখীর অতি বৃষ্টির কারণে বিপাকে সয়াবিন চাষিরা।

নুরউদ্দিন জাবেদ
রায়পুর (লক্ষীপুর) প্রতিনিধি:

‘নারিকেল, শুপারি আর সয়াবিনে ভরপুর, আমাদের আভাস ভূমি প্রিয় লক্ষ্মীপুর’। এ প্রবাদ স্পষ্ট করে দিচ্ছে যে, লক্ষ্মীপুরে নারিকেল, শুপারি ও সয়াবিন খুব বেশি চাষাবাদ হয়। এসব অর্থকরি ফসল স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে রপ্তানি হচ্ছে ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য জেলায়। তবে, নারিকেল, সুপারী, আর ধানের সঙ্গে যোগ হয়েছে সয়াবিন। মেঘনা উপকূলবর্তী লক্ষীপুর জেলার রায়পুর উপজেলার মেঘনা নদীতে জেগে উঠা চরইন্দুরিয়া, চরজালিয়া, চরঘাসিয়া, চরকাছিয়া ও কানীবগার চরের কয়েক হাজার একর জমিতে সয়াবিনের চাষ হয়। বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলে এবারও সয়াবিনের প্রচুর পরিমানে ফলন হয়েছে। এখানকার পাঁচটি বড় চরে এখন যতদূর চোখ যায় সয়াবিনের সবুজ মাঠ হাতছানি দিয়ে ডাকে। এতে দারুণ উচ্ছাসিত স্থানীয় কৃষকেরা। ধান ও নারিকেল-সুপারির পাশাপাশি চতুর্থ প্রধান অর্থকরী ফসল হিসেবে রায়পুরে সয়াবিনের চাষাবাদ দিন দিন বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে, যা ১৫ বছর আগে শুরু হয়।

বর্তমানে রায়পুর উপজেলার চারটি ইউনিয়ন ও পাঁচটি চরে সয়াবিনের চাষ হয়। স্থানীয় কৃষকেরা মেঘনা নদীতে জেগে ওঠা চরইন্দুরিয়া, চরজালিয়া, চরঘাসিয়া, চরকাছিয়া ও কানিবগার চরের হাজার হাজার একর জমিতে সয়াবিন চাষ করছেন। এসব চরের মাটি দোআঁশ জাতীয় হওয়ায় একবার লাঙ্গল চালালেই তা সয়াবিন চাষের উপযোগী হয়ে ওঠে। লাভ ও ভালো হয়। সে জন্য কৃষকেরা দিন দিন সয়াবিন চাষে ঝুঁকছেন।তবে গত বছর অতি বৃষ্টি হওয়ার কারনে সয়াবিন ঘরে তুলতে পারেনি অনেক কৃষকেই। তবে এই বছর হঠাৎ বৃষ্টি ও অতি বৃষ্টির কারণে বিপাকে আছেন এখানকার সয়াবিন চাষীরা। স্হানীয় কয়েক জন কৃষকের সাথে কথা বললে তারা জানান, গত বছর অতি বৃষ্টির কারণে আামরা কোন সয়াবিন ঘরে তুলতে পারি। তবে এই বছর পারবে কিনা তা এখনো জানিনা। গতবছর আমাদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। আমরা কোন সাহায্য সহযোগিতা পাইনি।

দৈনিক আলোর প্রতিদিন এর প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মতামত: