শৈত্য প্রবাহ আরও ২ দিন

২০ ডিসেম্বর ২০১৯, ১০:৪৯:১৮

কুয়াশার চাদরে রাজধানীসহ দেশের বিস্তীর্ণ জনপদ। সেই সঙ্গে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের ওপর দিয়ে। উত্তরী হিমেল হাওয়ার দাপটে রাজধানীসহ দেশের মধ্যাঞ্চলেও রয়েছে শীতের তীব্রতা। কুয়াশার ঘন আস্তরণে ঢাকা পড়েছে সূর্য। হিমবুড়ির হাওয়ায় গরম পোশাকে উষ্ণতা খুঁজছে নগরবাসী। পৌষের শীতে হাড়ে কাঁপন ধরিয়ে দিচ্ছে। উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ।

তবে আগামী রবিবার থেকে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়তে পারে বলে আজ শুক্রবার আবহাওয়াবিদ একেএম নাজমুল হক সাংবাদিকদের জানিয়েছেন। তিনি বলেন, রাত ও দিনের তাপমাত্রার ব্যবধান কমে আসায় ঢাকায় একটু বেশি শীত অনুভূত হচ্ছে। তবে ঢাকায় শৈত্য প্রবাহের কোনো প্রভাব নেই। মৃদু শৈত্য প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে ঢাকার বাইরে। আজ চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন ৮.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ময়মনসিংহে ১২ দশমিক ৫, চট্টগ্রামে ১৬, সিলেটে ১৫ দশমিক ৮, রাজশাহীতে ৯ দশমিক ৪, রংপুরে ১১, খুলনায় ১২ এবং বরিশালে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। আবহাওয়াবিদ মনোয়ার হোসেন বলেন, আগামীকাল থেকে ২৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত তাপমাত্রা আবার বাড়তে থাকবে। ২৭ ডিসেম্বর থেকে তাপমাত্রা কমতে পারে।
আবহাওয়ার সংক্ষিপ্তসারে বলা হয়েছে, উপ-মহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন বাংলাদেশের পশ্চিমাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে।

এদিকে, শীতের শুরুতেই দেখা দিয়েছে শীতকালীন রোগের প্রকোপ। গত এক মাসে সারা দেশে জ্বর, শ্বাসতন্ত্রের রোগ, ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন ধরনের শীতকালীন রোগে আক্রান্ত হয়েছে ২ লাখ ২৬ হাজার ২২১ জন। এর মধ্যে মারা গেছে ৪৯ জন। ডিসেম্বরের দ্বিতীয় সপ্তাহে শীতের প্রকোপ কিছুটা বেড়েছে। ডিসেম্বরের ১৮ দিনেই শীতকালীন রোগে আক্রান্ত হয়েছে প্রায় ৬২ হাজার মানুষ। এর মধ্যে মারা গেছেন ৫ জন।

দৈনিক আলোর প্রতিদিন এর প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মতামত: