করোনা লাইভ
আজকে আক্রান্ত : ২,৯৯৫ ◈ আজকে মৃত্যু : ৪২ ◈ মোট সুস্থ্য : ১৫৩,০৮৯
প্রচ্ছদ / সারাদেশ / বিস্তারিত

মো. দ্বীন ইসলাম

চাঁদপুর প্রতিনিধি

সংগীতে প্রতিভা ছড়িয়ে যাচ্ছেন মৈত্রী

২৪ জুলাই ২০২০, ১১:১৯:৫০

সংস্কৃত ভাষায় বলে- “ন বিদ্যৎ সংগীত পরহ:”। অর্থাৎ সংগীতের চেয়ে মহান সাধনা আর নেই। তাই যখন থেকে বুঝতে শিখেছেন, তখন থেকেই কন্ঠে তুলেছেন গান। এখনও তিনি প্রতিভার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন। তিনি হচ্ছেন- মৈত্রী ইসলাম। যাকে মৈত্রী নামেই সবাই জানেন।

মৈত্রী ইসলামের মা ওয়াহিদা আক্তার সিদ্দিকা বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) এবং বাংলাদেশ বেতারের একজন তালিকাভূক্ত শিল্পী। বাবা গাজী সাইফুল ইসলাম একজন গীতিকার এবং সুরকার। তাই বাবা মায়ের অনুপ্ররেণায় এবং একান্ত ইচ্ছেতে পারিবারিকভাবে হাতেখড়ি তাঁর সংগীতে।

মৈত্রী ইসলাম বলেন, পড়াশোনা করছি স্নাতকে (সম্মান) , হিসাব বিজ্ঞান নিয়ে। আমি একজন গান পাগল মানুষ। গানের হাতেখড়ি একেবারে ছোটবেলা থেকে। আমার আম্মু একজন গানের মানুষ। তিনি বিটিভি এবং বাংলাদেশে বেতারের তালিকাভুক্ত শিল্পী। বাবা গান লিখতেন এবং সুর করতেন। ছোটবেলায় কথা শেখার আগেই সুরের সান্নিধ্য পেয়েছি।
আমার জীবনের গানের হাতেখড়ি এবং প্রথম ওস্তাদ আমার মা। এরপর উচ্চ মাধ্যমিকের পাশের সাথে আমি বাফা থেকে চার বছরের সার্টিফিকেট কোর্স শেষ করি। আমি স্টেজে গানের পারফর্ম করি যখন আমি মাত্র তৃতীয় শ্রেণীতে পড়ি। স্কুলের একটা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ছিল। গেয়েছিলাম ‘এই পদ্মা এই মেঘনা’ গানটি। তখন থেকেই আসলে টুকটাক করে আমার স্টেজ পারফরমেন্স শুরু।

এরপর বাফা থেকে পাশ করার পর মিউজিকটাকে প্রফেশন হিসেবে নেই। এরপর স্টেজ পারফরমেন্স এর পাশাপাশি বিভিন্ন এফ,এম, রেডিও তে গানের অনুষ্ঠান করতে থাকি। এরপর বাংলাদেশ বেতারে তালিকাভুক্ত শিল্পী হই। সাথে নিজের একটা ব্যান্ড মেক করি ‘মৈত্রী এন্ড ফ্রেন্ডস’ নামে। এরই মাঝে ২০১৫ তে ‘ওয়াহিদা সঙ্গীত শিক্ষালয়’ এ সহকারী সঙ্গীত প্রশিক্ষক হিসেবে যোগদান করি।

এর মাঝে একটা ডুয়েট অ্যালবামে কাজ করি। সেখানে ১টি গান করি যেটা ছিল আমার নিজের লেখা এবং সুর করা। গানের পাশাপাশি আমার ছবি আঁকা এবং আবৃত্তিতে আমার প্রচন্ড ঝোঁক। এছাড়া গানের পাশাপাশি ২০১৫ থেকে থিয়েটারে অভিনয় করছি। বর্তমানে ‘বঙ্গরঙ্গ নাট্যদল’ এ কাজ করছি।

নিজের গান ছাড়াও অনেক কভাল গানে কাজ করেছি, নাটকের আবহ সঙ্গীত এবং ভয়েজ ওভারও করেছি। এছাড়া ইউটিউবে মৈত্রী ইসলাম নামে একটি নিজস্ব চ্যানেল রয়েছে। ‘ওয়াহিদা সঙ্গীত শিক্ষালয়’ এর পাশাপাশি পাললিক পাঠশালা নামে সাংস্কৃতিক বিদ্যালয়ে সঙ্গীত প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করছি। আমার গান নিয়ে আরো অনেকদূর যাওয়ার ইচ্ছা। আই বিলিভ মিউজিক ইজ মাই অনলি এক্সিসটেন্স।

দৈনিক আলোর প্রতিদিন এর প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মতামত: