করোনা লাইভ
আজকে আক্রান্ত : ০ ◈ আজকে মৃত্যু : ০ ◈ মোট সুস্থ্য : ৭২১,৪৩৫
প্রচ্ছদ / সারাদেশ / বিস্তারিত

মোঃ মাসুম বিল্লাহ

শরণখোলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

সুন্দরবনে অগ্নিকান্ড

৩ মে ২০২১, ৫:৪৮:০২

মাসুম বিল্লাহ:
পুর্ব-সুন্দরবনের শরনখোলা রেঞ্জের ২৪নং কম্পার্টমেন্টের আওতাধীন দাসের ভাড়ানী টহল ফাঁড়ির মাঝেরচর এলাকায় গহীন সুন্দরবনে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটেছে। ৩মে সোমবার সকাল দশটার দিকে স্থানীয়রা শরনখোলা চাঁদপাই রেঞ্জের মধ্যবর্তী এলাকায় ধোয়ার কুন্ডালী উড়তে দেখে প্রথমে সংশ্লিষ্ট দাসের ভাড়ানী ক্যাম্পের বনরক্ষীদের খবর দেন। খবর পেয়ে শরনখোলা রেঞ্জের ষ্টেশন কর্মকর্তা আ. মান্নানের নেতৃত্বে দাসের ভাড়ানী, ভোলা ও নাংলী টহল ফাড়ির একদল বনরক্ষী সহ স্থানীয় সিপিজির সদস্যরা বনের ওই এলাকায় যান। পাশাপাশি শরনখোলা ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট একই দিন দুপুরে ক্যাম্প এলাকায় পৌছালেও লোকালায় হতে অগ্নিকান্ডের এলাকা দুর্গম হওয়ায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত তারা ঘটনাস্থলে পানি সরবারহ করতে পারেননি।
বনবিভাগ জানায়, অতিরিক্ত তাপদাহের কারনে মাটির নিচে বিভিন্ন প্রজাতির জমে থাকা গাছের পাতা গরম হয়ে প্রাকৃতিক ভাবে এ অগ্নিকান্ডের সুত্রপাত হয়েছে।

অপরদিকে, স্থানীয়দের মতে বনের মধু সহ নানা প্রকার সম্পদ চোরাই পথে যারা আহরন করেন তাদের অসাবধানতার কারনে অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটতে পারে। এছাড়া, অগ্নিকান্ডের খবর পেয়ে বন-বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা (ডিএফও) মো. বেলায়েত হোসেন, শরনখোলা রেঞ্জের (এসিএফ) মো. জয়নাল আবেদীন, সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মো. মিজানুর রহমান, শরনখোলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. সাইদুর রহমান শরনখোলা উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারন সম্পাদক মো. এমাদুল হক (শামীম) ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
নাম গোপন রাখার শর্তে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, বনরক্ষীদের চোঁখ ফাঁকি দিয়ে কিছু অসাধু মানুষ গভীর জঙ্গলে ঢুকে মাছ. কাকড়া ও মধু সহ নানা সম্পদ সংগ্রহ করে। তাদের অসচেতনতার কারনে এমন দুর্ঘটনা বার বার ঘটছে সুন্দরবনে। এ অগ্নিকান্ডের কারনে বন্যপ্রানীদের ক্ষতি হতে পারে। তাই সুন্দরবন সুরক্ষায় সবাইকে আরো সচেতন হতে হবে।

এ ব্যাপারে শরনখোলা রেঞ্জের (এস.ও) আ. মান্নান জানান, বাতাসের তীব্রতার কারনে আগুন বনের প্রায় দেড় থেকে দুই একর এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে। তবে, লতাপাতা ছাড়া বড় গাছ গুলোর যাতে কোন ক্ষতি না হয়, সে জন্য চারদিক থেকে ইতিমধ্যে নালা কাটা হয়েছে। ফাঁয়ার সার্ভিসের কর্মীরা পানি সরবাহ শুরু করলে আর কোন বিপদ থাকবে না। তাছাড়া বনবিভাগ ছাড়াও আগুন নিভানোর কাজে স্থানীয় বাসিন্দারা সহযোগীতা করে যাচ্ছেন। পাশাপাশি আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছি। আশা করি রাতের আগেই আগুন নিয়ন্ত্রনে আনা সম্ভব হবে।

দৈনিক আলোর প্রতিদিন এর প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মতামত: