fbpx
প্রচ্ছদ / সারাদেশ / বিস্তারিত

পরীক্ষা থেকে বঞ্চিত স্কুল ছাত্র

সোনাতলায় জে.এস.সি পরীর্ক্ষাথী কে ভূয়া প্রবশে পত্র প্রদান

৮ নভেম্বর ২০১৯, ২:৫৩:৩৯

সোনাতলা (বগুড়া) সংবাদদাতাঃ
বগুড়া সোনাতলা উপজেলার পাকুল্লা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেনীর (ক) শাখার ছাত্র পাকুল্লা চারালকান্দি গ্রামের হারুন-অর-রশীদ এর ছেলে আশিদুল রহমান এর জেএসসি পরীক্ষা দেওয়া হলো না। অসহায় ছাত্র পিতা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবরে অভিযোগ করেছেন। ঘটনার শিকার স্কুল ছাত্র আশিদুল রহমান ও তার পিতা কান্না জড়িত কন্ঠে এ প্রতিবেদককে জানায়, টেষ্ট পরীক্ষায় পাশ করার পরেও বোর্ড কর্তৃক রেঃজি পত্র না আসায় স্কুলের আফিস সহকারী জাকির হোসেন ডিনার আমার কাছ থেকে বোর্ড থেকে রেঃজি কার্ড আনার কথা বলে ৫০০শত টাকা নেয়। পরবর্তীতে ২৯-১০-১৯ ইং তারিখে আমাকে একটি প্রবেশ পত্র ও রেঃজি পত্র দেয়। আমি কোনো কিছু না দেখে রেঃজি ও প্রবেশ পত্রটি যতœ করে রেখে দিয়ে পরীক্ষায় উত্তির্ন হওয়ার জন্য পড়াশুনায় মনোযোগ দিয়ে লেখাপড়া করে আসছি।

এরই মধ্য হঠাৎ করে পরীক্ষার আগের দিন ০১-১১-১৯ ইং তারিখে সন্ধায় ক্যারানি ০১৭১২-৪৮৫৮১৪ নাম্বার থেকে আমাকে জানায় তোমার পরীক্ষা দেওয়া হবে না। কারন জানতে চাইলে সে কোনো কিছু না বলে ফোন কেটে দেয়। এসময় আমি বিষয়টি আমার বাবা ও বড় ভাইকে জানালে তারা আমার প্রবেশ পত্র ও রেঃজিঃ কার্ডটি দেখলে সেখানে অন্যের নাম দেখতে পায়। বিষটি তাৎক্ষনিক জানতে স্কুল প্রধান শিক্ষক এর নাম্বারে ফোন করলে রিসিভ হয়নি। পরে বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে মৌখিক ভাবে জানাই ও পরের দিন এহেন দূর্নীতিবাজ ভূয়া কাগজ পত্র প্রদান কারীকে স্কুল সহকারীর দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির দাবীতে একটি অভিযোগ পত্রদেই। এর পরও এখনও কোনো সুরহা হয়নি। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শফিকুল আলমের সাথে কথা বললে তিনি জানান, দুঃখের বিষয় ছেলেটির পরীক্ষার আগের রাত্রে জানানোয় তাৎক্ষনিক কোনো ব্যবস্থা গ্রহন করা যায় নি। তবে এই ধরনের কর্মকান্ডের সত্যতা প্রমান হলে স্কুল কতৃপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিষটি তদন্তের জন্য মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে বলা হয়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক কর্মকর্তা আজিজার রহমান এর সাথে মুঠোফোনে কথা বললে তিনি জানান, ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী কে ডাকা হয়েছে, তারা আসলে তাদের সাথে কথা বলে কোথায় ত্রুটি হয়েছে তা ক্ষতিয়ে দেখে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
এ বিষয়ে ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষকের সাথে কথা বললে তিনি জানান, ছাত্রটির পরিবারের সহিত বিষয়টি মিমাংশা হয়েছে। কি মিমাংশা করেছে এমন প্রশ্নের উত্তরে বলেন, ৩বছরের লেখা পড়ার যাবতীয় খরচের দায়িত্ব নেওয়া হয়েছে।

এ ব্যপারে বিষটি নিশ্চিত হওয়ার জন্য ভুক্তভোগী ছাত্রের বড় ভাই রায়হানের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, বিভিন্ন লোক দিয়ে বার বার আমাদের কাছে অভিযোগ পত্রটি তুলে নেওয়ার কথা বলেছে এবং না নিলে বিভিন্ন ভাবে হুমকি দিয়ে আসছে।

দৈনিক আলোর প্রতিদিন এর প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মতামত: