fbpx
প্রচ্ছদ / সারাদেশ / বিস্তারিত

২০ নারীর সাথে সম্পর্ক, ভিডিও করে ব্ল্যাকমেইল, অতঃপর…

২৯ অক্টোবর ২০১৯, ৭:০০:৪৮

নিজেকে বড় অফিসার পরিচয় দিয়ে একের পর এক মেয়েদের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলতেন তিনি। এরপর তাদের সাথে শারীরিক সম্পর্ক করে তা ভিডিও করতেন। পরে ওই ভিডিও হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে মেয়ের পরিবারের কাছ থেকে টাকা আদায় করতেন। এভাবে তার ফাঁদে এ পর্যন্ত অন্তত ২০টি মেয়ে পা দেয়। শেষ পর্যন্ত যশোরের বাঘারপাড়া থানায় দায়ের হওয়া একটি ধর্ষণ মামলায় পুলিশের কাছে ধরা পড়েছেন তিনি। তার নাম আশরাফুল মোল্লা।

তার কাছ থেকে কয়েকটি ভুয়া পরিচয়পত্র, ১৩টি মোবাইল সিম ও তার মোবাইল ফোনে থাকা ধর্ষণের ভিডিও উদ্ধার করা হয়েছে।

আটক আশরাফুল মোল্লা নড়াইল জেলার বোড়ামারা গ্রামের আকবর মোল্লার ছেলে। তিনি যশোর শহরের শংকরপুর এলাকার একটি বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে থাকতেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেখান থেকেই ডিবি পুলিশের একটি টিম তাকে আটক করে।
মঙ্গলবার দুপুরে যশোরের পুলিশ সুপারের সম্মেলন কক্ষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তৌহিদুল ইসলাম জানান, বাঘারপাড়া থানার ধর্ষণ মামলার আসামি হিসেবে আশরাফুল মোল্লাকে আটক করা হয়েছে। তার বাসা থেকে কয়েকটি ভুয়া পরিচয়পত্র, ১৩টি মোবাইল ফোনের সিম উদ্ধার করা হয়। তার মোবাইল ফোনে ধর্ষণের ভিডিও পাওয়া গেছে। জিজ্ঞাসাবাদকালে আশরাফুল স্বীকার করেছেন যে, অফিসার পরিচয় দিয়ে তিনি মেয়েদের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলতেন। পরে তাদের সাথে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে তা ভিডিওতে ধারণ করতেন। সেই ভিডিও দেখিয়ে পরিবারের লোকদের কাছ থেকে টাকা আদায় করতেন। এভাবে অন্তত ২০ জন মেয়ের সাথে তিনি সম্পর্ক করেন বলে স্বীকার করেছেন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তৌহিদুল ইসলাম বলেন, বাঘারপাড়া থানায় দায়ের হওয়া একটি ধর্ষণ মামলার আসামি হিসেবে আশরাফুলকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে নড়াইল, রাজশাহী ও যশোরের বিভিন্ন থানায় মামলা রয়েছে বলে জানা গেছে। এখন নতুন করে তার বিরুদ্ধে প্রতারণা মামলা করা হবে।

দৈনিক আলোর প্রতিদিন এর প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মতামত: